মার্চ ২৪, ২০১৬
Home » জাতীয় » রাজনগরের চা বাগানগুলোতে ক্রমশ বাড়ছে যক্ষ্না রোগীর সংখ্যা

রাজনগরের চা বাগানগুলোতে ক্রমশ বাড়ছে যক্ষ্না রোগীর সংখ্যা

এইবেলা, রাজনগর, ২৪ মার্চ:: মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার চা-বাগানগুলোতে যক্ষ্না রোগীর সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। গত এক বছরে পরীক্ষা চালিয়ে ৪১২ জন যক্ষা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। শুধু বিগত ৪ মাসে উপজেলায় শিশুসহ ৫২ জন যক্ষ্না আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। যার সবাই উপজেলার বিভিন্ন চা-বাগানের।

যক্ষ্না সম্পর্কে সচেতনতা না থাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে গতকাল বৃহস্পতিবার হীড বাংলাদেশ আয়োজিত জাতীয় যক্ষা দিবসের আলোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, রাজনগর উপজেলায় ফাঁড়ি বাগানসহ মোট ১৪টি চা বাগান রয়েছে। এসব বাগানে গত অক্টোবর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ৩২৯ জনের কফ্ ও এক্সরে পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে উদনা, ইটা, রাজনগর, উত্তরভাগ, বড়দল ও করিমপুর চা-বাগানে ৫২ জনের যক্ষা ধরা পরে। এদের পরীক্ষায় ফুসফুসের বাইরে আক্রান্ত  শিশুও রয়েছে। এছাড়াও মাল্টি ড্রাগ রেসিস্টে›স (এমআরডি) ভাইরাসে আক্রান্ত যক্ষ্না রোগীকে মাসে ১৫০০ টাকা এবং ওই রোগীর ঔষধ সেবনে সহায়তাকারীকে মাসে ১৮০০ টাকা করে দেয়া হয়।

উপজেলার লালাপুর গ্রামের মঙ্গাই মিয়া নামে এক ব্যক্তি এ ধরনের মারাত্মক যক্ষার ভাইরাসে আক্রান্ত বলে জানানো হয়। চা জনগুষ্টিকে যক্ষ্নায় সচেতন করতে সরকারী ও বেসরকারী সংস্থা উদ্যোগ নিয়েছে। রাজনগরে চা-বাগানগুলোতে যক্ষ্না নির্মূলে ইউএসআইডি চ্যালেঞ্জ টিবি বাংলাদেশ প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে বেসরকারী সংস্থা হীড বাংলাদেশ।

জাতীয় যক্ষা দিবস উপলক্ষে হীড বাংলাদেশ র‌্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হল রুমে মেডিকেল অফিসার ফাদিলা আহমদ তিন্নির সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ডা. দুলাল চন্দ্র বনিক, যক্ষা নিয়ন্ত্রন সহকারী জাদেন্দ্র সুনার, সুনিল লাল বৈদ্য, হরিপদ দেব, সাংবাদকর্মী আব্দুর রহমান সোহেল প্রমুখ।#

রিপোর্ট-আব্দুর রহমান সোহেল