জুন ২৪, ২০১৬
Home » ব্রেকিং নিউজ » কুলাউড়া-গুপ্তগ্রাম রাস্তা সংস্কারের অভাবে দূর্ভোগে ৫ হাজার মানুষ

কুলাউড়া-গুপ্তগ্রাম রাস্তা সংস্কারের অভাবে দূর্ভোগে ৫ হাজার মানুষ

এইবেলা, কুলাউড়া, ২৪ জুন :: কুলাউড়া উপজেলার কাদিপুর ইউপির মধ্যদিয়ে বয়ে চলা কুলাউড়া-গুপ্তগ্রাম সড়কটি দীর্ঘদিন থেকে সংস্কারের অভাবে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন কয়েকটি এলাকার ৫ হাজারেরও অধিক জনসাধারণ। ৩ কিলোমিটার রাস্তায় যত্রতত্র খানা খন্দ হওয়ায় যানবাহন চলাচলে রাস্তাটি এখন মরনফাঁদে পরিণত হয়েছে।

মৈন্তাম, গুপ্তগ্রাম, তিলকপুর, ভাগমতপুর, হাসিমপুর, ফরিদপুর, ছকাপন, ভূকশিমইল, কাড়েরা, বড়দল, কাজিরগাওসহ  বেশ কয়েকটি গ্রামের ৫ হাজারের অধিক মানুষের একমাত্র বিকল্প সড়ক এটি। দীর্ঘদিন থেকে কোন ধরনের সংস্কার কাজ না হওয়াতে দূর্ভোগে পড়েছে যানবাহনসহ এ সড়কে চলাচলকারী মানুষজন।

একেতো দীর্ঘদিন থেকে মেরামত নাই তার উপর সম্প্রতি সময়ের পাহাড়ী ঢলে বেড়ে যাওয়া প্লাবিত বন্যার আঘাতে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে বিশাল গর্ত হয়ে একেবারে চলচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে রাস্তাটি। যার ফলে অধিক টাকা দিয়েও এ রাস্তায় কোন ধরনের যানবাহন তথা অটোরিক্সাও যেতে রাজি হয় না বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

এনিয়ে বিপাকে পড়েছে স্কুল কলেজ পড়–য়া ছাত্র ছাত্রীরা। কোন ধরণের যান্ত্রীক যানবাহন না থাকায় পায়ে হেঠে গিয়ে অনেকেই সময়মত কাস করতে পারে না। সামান্য বৃষ্টি হলেই ভাঙ্গা স্থানে পানি জমে পুকুরে পরিনত হয়। এতে করে চরম বিড়ম্ভনায় পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের।

Kulaura Kadipur Roed news pic-11

গুপ্তগ্রাম এলাকার বৃদ্ধ আব্দুর রহমান (পাকি) জানান, ভাগ্যক্রমে কোন রিক্সা পাওয়া গেলেও একদিনের ঝাকুনিতে এক সপ্তাহ অসুস্থ হয়ে বিছানায় থাকতে হয় । তারপরও গাড়ী চালকেরা জীবন-জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এ সড়ক দিয়ে গাড়ি চালায়। কিন্তু প্রতিনিয়ত তাদের গাড়ি যান্ত্রিক ত্রুটি হওয়ার কারণে ওয়ার্কসপে নিয়ে কাজ করাতে দন্দ সৃষ্টি হয় মালিক ও চালকদের মধ্যে।

অনেক অটোরিক্সা মালিক তাদের গাড়ী এ রোড থেকে অন্যরোডে ভর্তি করার সিন্ধান্ত নিয়েছে ইতিমধ্যে। এনিয়ে সড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। দেশ আর কতো ডিজিটাল হলে কুলাউড়া-গুপ্তগ্রাম রাস্তাটিতে উন্নয়নের ছোয়া লাগবে?, এমন প্রশ্ন এখন এলাকার সাধারণ মানুষের।
এব্যাপারে এলজিডির উপজেলা প্রকৌশলী আবুল হোসেন জানান, রাস্তাটির ইষ্টিমিট করা হয়েছে, সীঘ্রই কাজ শুরু করা হবে।

রিপোর্ট- আব্দুল আহাদ