- ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, রাজনীতি, স্থানীয়, স্লাইডার

পুলিশী পাহারায় কুলাউড়ার টিলাগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন

সম্মেলন স্থলে ছিলো ১৪৪ ধারা

এইবেলা ডেক্স, কুলাউড়া, ১৭ সেপ্টেম্বর ১৬:: কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে গতকাল শনিবার সম্মেলন স্থলে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। সম্মেলনকে ঘিরে দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করলেও দুপুর সাড়ে ১২ টায় মাত্র ২০ মিনিটে পুলিশ প্রহরায় সম্পন্ন হয় সম্মেলন।

স্থানীয় একাধিক সুত্র জানায়, উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পূর্ব নির্ধারিত সম্মেলন ছিলো শনিবার। সম্মেলনস্থল ছিলো বেসরকারি সংস্থা ওয়াফ এর অফিস প্রাঙ্গন। সম্মেলনটি লোক দেখানো এবং অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করার আভাস পেয়ে একই স্থানে একই সময়ে বিক্ষুব্ধ কর্মিরা সভা আহ্বান করেন।

alig-1

এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এলাকায় দিনভর উত্তেজনা দেখা দিলে সম্মেলন স্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। র‌্যাবও টহল দেয়।

অবস্থা বেগতিক দেখে দুপুর সাড়ে ১২টায় কড়া পুলিশ পাহারায় সম্মেলন শুরু হয়। এতে স্থানীয় এমপি আব্দুল মতিন, উপজেলা চেয়ারম্যান আসম কামরুল ইসলাম ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রেনু বক্তব্য দেন।

বিগত কমিটির সভাপতি সৈয়দ রশীদ আলীকে সভাপতি ও আব্দুল মালিককে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি ঘোষণা দেয়া হয়। পরে পুলিশ প্রহরায় উপজেলা নেতৃবৃন্দ সভাস্থল ত্যাগ করেন বলে নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়।

alig-3

এদিকে বিদ্রোহী গ্রুপের নেতা-কর্মীদের অভিযোগ সম্মেলন উপলক্ষে কোন প্রস্তুতি সভা কিংবা কোন ধরনের প্রচারণা না করেই তাৎক্ষণিকভাবে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ সম্মেলনের চিঠি পর্যন্ত পাননি বলে দাবি করেন।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীরেন্দ্র বৈদ্য, মো. আইন উল্লা ও চেরাগ মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামছুদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুর রহমান আলাউদ্দিন জানান, তারাসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ সম্মেলনের চিঠি পাননি।

কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শামসুদ্দোহা পিপিএম ১৪৪ ধারা উপক্ষো করে সম্মেলন অনুষ্ঠানের সত্যতা নিশ্চিত করেন। ক্ষমতাসীন দলের সম্মেলনকে ঘিরে কিছুটা উত্তেজনা স্বাভাবিক। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আসম কামরুল ইসলাম জানান, এখানে দলের প্রোগ্রাম। যারা বাঁধা দেয় তারা দলের বিরোধী। কারো যদি নেতৃত্বে আসার ইচ্ছা বা কমিটি নিয়ে দ্বিমত থাকে তাহলে সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তা তুলে ধরতে পারেন। সভায় বাঁধা দিয়ে কিছু করা মানে দলের বিরুদ্ধাচরণ করা। আমরা সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি করেছি।#

রিপোর্ট- নিজস্ব প্রতিবেদক

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *