- জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, স্লাইডার

খাদিজাকে কেবিনে স্থানান্তর

এইবেলা ডেস্ক, ২৭ অক্টোবর:: রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খাদিজা বেগমকে অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার শারীরি অবস্থার অগ্রগতি বিবেচনা করে চিকিৎসকরা এই সিদ্ধান্ত নেন।

তবে ৩ অক্টোবর থেকে অচেতন খাদিজা বেগম গত ২৬ অক্টোবর তাঁর বাবাকে ‘আব্বু’ বলে ডেকেছেন। সে তার মাকেও চিনতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।

সৌদিপ্রবাসী মাশুক মিয়া মেয়ের ওপর হামলার খবর পেয়ে ৬ অক্টোবর দেশে ফেরেন। একই দিনে দেশে আসেন খাদিজার ভাই শাহীন আহমেদ। চীনের একটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী শাহীন সোমবার চীনে ফিরে গেছেন।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে মাশুক মিয়া বলেন, তাঁরা ধারণ করছেন, দু–তিন মাস পরে খাদিজার শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে।

এর আগে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খাদিজা বেগম এখন হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে ছিলেন। ইতিমধ্যে তাঁর শরীর থেকে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসের যন্ত্রপাতি ও খাওয়ানোর জন্য যন্ত্রপাতি খুলে নেয়া হয়েছে।

খাদিজা বেগমের চিকিৎসক স্কয়ার হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের পরামর্শক রেজাউস সাত্তার জানিয়েছেন, মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর খাদিজার শরীরের ডান দিকে সাড়া ফিরলেও বাঁ হাত ও বাঁ পা নাড়তে পারছিলেন না। এই সপ্তাহের শুরু থেকে খাদিজা বাঁ পা–ও সামান্য নাড়াতে পারছেন। তবে বাঁ পা নাড়তে তাঁর খুব কষ্ট হচ্ছে।

১৭ অক্টোবর তাঁর ডান হাতে অস্ত্রোপচার করেন স্কয়ার হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের প্রধান পরামর্শক মেজবাহুল হক। বাঁ হাতটি খাদিজা এখনো নাড়তে পারছেন না। এই হাতে অনুভূতি ফিরে এলে আরও একদফা অস্ত্রোপচারের মুখোমুখি হতে হবে তাঁকে।

৩ অক্টোবর সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের (ডিগ্রি) ছাত্রী খাদিজা বেগম পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে বদরুল আলমের হামলার শিকার হন। মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে প্রথমে খাদিজাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর অচেতন অবস্থাতেই খাদিজাকে ওই দিন রাতে তাঁর স্বজনেরা স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সংকটজনক অবস্থাতেই খাদিজার মাথায় দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার হয়। অস্ত্রোপচারের ৯৬ ঘণ্টা পর চিকিৎসকেরা জানান, খাদিজার আর জীবন সংশয় নেই।

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *