- জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, স্থানীয়, স্লাইডার

মৌলভীবাজার পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

“মামলার তদন্তকার্যসহ প্রতিটি ধাপ যথাসময়ে সম্পন্ন না হলে কাঙ্খিত ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হয় ” 

স্বপন কুমার দেব, ১৭ ডিসেম্বর :: মৌলভীবাজার জেলার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে ১৭ ডিসেম্বর শনিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।

জেলার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ.কিউ.এম. নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত কনফারেন্সে জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ারুল হক, মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মোঃ ফজলুর রহমান, মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ পার্থ সারথি দত্ত, কাননগো, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার, মেডিকেল অফিসার, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, জেল সুপার, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর, এডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর, অ্যাসিস্টেন্ট পাবলিক প্রসিকিউটরবৃন্দ, ইন্সপেক্টর, পিবিআই এবং জেলার বিভিন্ন থানার ও রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

megistret

কনফারেন্সের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ.কিউ.এম. নাছির উদদীন বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরে দ্রুততা ও দক্ষতার সাথে আইনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্তকাজ সম্পন্ন করতঃ প্রতিবেদন দাখিল, যথাসময়ে মামলার সাক্ষী উপস্থাপন নিশ্চিত করে তাদের নিরাপত্তা বিধান, গ্রেফতারের পর আইনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করা এবং  ডাক্তারী পরীক্ষা ও মেডিক্যাল সার্টিফিকেট দেয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বনসহ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য বিচারক ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিভিন্ন ধরনের দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

গত মাসের মামলা নিষ্পত্তির বিবরণ উপস্থাপন করে বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বলেন যে, নভেম্বর মাসের শুরুতে ৭২৫৩টি মামলা বিচারাধীন ছিল। নতুন দায়ের হয়েছে  ৭৭৯টি মামলা, নিষ্পত্তি হয়েছে ৮৪২টি, বর্তমানে ৭১৯০টি বিচারাধীন আছে এবং পাঁচ বছরের পুরাতন ৫০টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। গত ০১ ডিসেম্বর  পর্যন্ত মোট ৬৮১৬ট গ্রেফতারী পরোয়ানা, ১৮৯টি ক্রোকি পরোয়ানা ও ৪৬৯ টি সাক্ষী পরোয়ানা মুলতবী আছে মর্মে উল্লেখ করেন।  তিনি বলেন যে, এই সকল পরোয়ানা যথাসময়ে তামিল না হওয়ায় মামলাসমূহের দ্রুত বিচার সম্ভব হচ্ছে না।

কনফারেন্সে উপস্থিত বক্তাগণ পুরাতন মামলাসমূহ অগ্রাধিকার প্রদান করে নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়ে উল্লেখ করেন যে, মামলার জট নিরসন করা না গেলে বিচার প্রশাসনের সাথে জড়িত সকল প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয়। জনগণের আস্থা কেবলমাত্র সরকারের একটি বিভাগের সাফল্যের উপর নির্ভর করে না। বিচার ব্যবস্থার সাথে জড়িত প্রতিটি বিভাগের দায়িত্বের সুষ্ঠু পালনই জনগণকে কাংঙ্খিত ন্যায় বিচার প্রদান করতে পারে।#

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *