জানুয়ারি ২৩, ২০১৭
Home » জাতীয় » সিলেটের মৃত্যুপুরী শাহ আরেফিন টিলায় ৭ লাশের সন্ধানে পুলিশের অবস্থান: লাশ গুমের অভিযোগ

সিলেটের মৃত্যুপুরী শাহ আরেফিন টিলায় ৭ লাশের সন্ধানে পুলিশের অবস্থান: লাশ গুমের অভিযোগ

এইবেলা, সিলেট, ২৩ জানুয়ারি:: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের মৃত্যুপুরী খ্যাত ইসলামপুর ইউনিয়নের শাহ আরেফিন টিলায় সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় টিলা কেটে কোয়ারী থেকে পাথর উক্তোলন করতে গিয়ে টিলার মাটি চাঁপায় ৭ শ্রমিক নিহত হয়েছেন।’

এদিকে টিলার মাটি চাঁপায় শ্রমিকদের মৃত্যুর বিষয়টি ধামাচাঁপা দিতে কোয়ারী মালিক কোম্পানীগঞ্জের ইসলামপুর ইউনিয়নের চিকাডহর গ্রামের আঞ্জু মিয়ার নির্দেশে তার লোকজন লাশ দ্রুত সড়িয়ে লাশ গুম করে ফেলেছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ তুলেছেন। এনিয়ে দিনভর প্রশাসেন তোলপাড় শুরু হয়েছে। লাশের সন্দানে দিনভর পুলিশ ঘটনাস্থলৈও থাকলে হদিস মিলছে লাশ কোথায় সড়িয়ে রাখা হয়েছে।’

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. বায়েছ আলম সোমবার বেলা ২টায় বলেন, শাহআরেফিন টিলায় সকালে মাটি ধ্বসে ৭ শ্রমিক নিহত হয়েছে বলে জানতে পেরেছি কিন্ত এখনো লাশের সন্ধান কিংবা নিহতদের পরিচয় বের করতে পারিনি। তিনি আরো বলেন, লাশের সন্ধানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাল পুলিশ ফোর্স নিয়ে আমরা ঘটনাস্থলেই অবস্থান করছি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এক শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে সোমবার দুপুরে জানান, প্রথমেই ৫ শ্রমিক মাটি চাঁপায় জাগাত মরি গেছে, আর এক শ্রমিক বাছব বলে খইতাম পারিয়ার না। লাশ কী হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন পুলিশ আসার আগেই আঞ্জু মিয়ার লোকজন লাশ কোয়রী থাকি সরাই নিছে।’ এদিকে কোয়ারী মালিক ও তার ম্যানেজার পুলিশী গ্রেফতার এড়াতে গাঁ ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

আঞ্জুর কোয়ারীর ম্যানেজার সোহেল মাটি ধ্বসের পরই লাশ সরানোর কাজ দ্রুত সেরে ফেলেন। ম্যানেজার সোহেলে বক্তব্য জানতে চাইলে সে বলে সকালেই লাশ শ্রমিককের স্বজনারা নিয়ে গেছেন আমি আর কিছু জানিনা।

কোয়ারী মালিক আঞ্জু মিয়ার ব্যাক্তিগত মুঠোফেনে সোমবার এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদকে বলেন, ভাই আমি সিলেট হোটেল গুলশানে আছি, আমি বহুত ফেরেশানিত আছি, ইতা লেখিয়া কিতা করতা বাদ দেউখ্যা।’

অভিযোগ রয়েছে কোম্পানীগঞ্জের এই টিলা থেকে অবৈধভাবে পাথর উক্তোলনের জন্য প্রতি সপ্তাহে থানার ওসি মো. বায়েছ আলমের নামে ২ লাখ টাকা সহ নামে বেনামে ১৪ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেন সাত সদস্যের প্রভাবশালী সিন্ডিক্যান্ড।’ যে কারনে টিলা ধ্বসে মাটি চাঁপা পড়ে গত এক বছরে শতাধিকের উপর শ্রমিক নিহত হলেও কোম্পানীগঞ্জ থানার ডায়েরীতে না আছে নিহতের পরিচয়, না করা হয়েছে সুরতহাল রিপোর্ট। ##