মে ৪, ২০১৭
Home » জাতীয় » ৩৮তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা : বড়লেখায় ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের নানা চমক

৩৮তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা : বড়লেখায় ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের নানা চমক

আবদুর রব, এইবেলা, ০৪ মে ::  বড়লেখায় ভূমিকম্প সতর্কীকরন সংকেত (শব্দ) ও ভূমিকম্প সতর্কীকরন সংকেত (আলো), হাইগ্রোমিটার, ওয়াটার এলার্ম, ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় নৌকার বিপদ সংকেত, লেজার সিকিউরিটি সিস্টেম, ওয়াটার রকেট ও বায়ু বিদ্যুৎ উদ্ভাবন প্রদর্শন করে রীতিমত চমক দেখিয়েছে ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা। শিক্ষার্থীদের তৈরি এমন আরও চমক লাগানো উদ্ভাবনী যন্ত্র ও ভাবনার প্রকল্প নিয়ে সাজানো ৩৮তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা শেষ হল বৃহস্পতিবার অপরাহ্নে।

বড়লেখায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ২দিন ব্যাপী বিজ্ঞান মেলা শুরু হয় গত বুধবার। এতে উপজেলার মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজের খুদে বিজ্ঞানীরা ১৩টি স্টলে তাদের উদ্ভাবনী যন্ত্র-সরঞ্জাম প্রদর্শন করেছে।

এ মেলায় ভূমিকম্প সতর্কীকরন সংকেত (শব্দ) তৈরি করেছে দাসেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহাদাৎ হোসেন হিমেল ও ভূমিকম্প সতর্কীকরন সংকেত (আলো) যন্ত্র তৈরি করেছে একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আশিষ কুমার দাস।

চোর ধরার যন্ত্র লেজার সিকিউরিটি সিস্টেম তৈরি করেছে পিসি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। এছাড়া পিসি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রান্ত সরকার ওয়াটার রকেট ও তাওহিদ মনোয়ার বায়ু বিদ্যুৎ উদ্ভাবন করেছে।

Barlekha Science Pic

বিজ্ঞান মেলায় বায়ু বিদ্যুৎ উদ্ভাবক পিসি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থী তাওহিদ মনোয়ার জানায়, ‘যান্ত্রিক শক্তি ও চৌম্বক শক্তির সমন্বয়ে তড়িৎ শক্তি বা বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন হয়। কিন্তু যান্ত্রিক শক্তি উৎপন্ন করতে জ্বালানির প্রয়োজন হয়। এ ক্ষেত্রে আমি যান্ত্রিক শক্তি ও চৌম্বক শক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে জ্বালানী হিসাবে প্রকৃতি থেকে যায়ু ব্যবহার করেছি এবং এর থেকে আমি বিদ্যুৎ শক্তির উৎপন্ন করেছি। এতে আমার প্রয়োজন পড়েছে একটি ডায়নোমো, টারবাইন ও প্রাকৃতিক বায়ু। বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোন ধারনের জ্বালানী ব্যবহার করতে হয়নি কিন্তু বিদ্যুৎ শক্তি তথা এক প্রকার জ্বালানী তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।

এ ছাড়া বিজ্ঞান মেলায় পরিকল্পিত নগর তৈরিকরাসহ বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি করেছে শিক্ষার্থীরা।

বড়লেখা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সমীর কান্তি  দেব জানান, ‘নিয়মিতভাবে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হলে শিক্ষার্থীরা মেধা বিকাশে অনন্য অবদান রাখবে। আর শিক্ষার্থীদের এসব উদ্ভাবন যন্ত্র বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ বৃদ্ধি পাবে।’#