জুন ৬, ২০১৭
Home » জাতীয় » ওসমানীনগরে কুশিয়ারা ডাইক ভেঙ্গে ১৮ গ্রাম প্লাবিত

ওসমানীনগরে কুশিয়ারা ডাইক ভেঙ্গে ১৮ গ্রাম প্লাবিত

ঠিকাদারের অনিয়মের কারণে ডাইক ভেঙ্গে গেছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি. ওসমানীনগর (সিলেট) ০৬ জুন ::  সিলেটের ওসমানীনগরে কুশিয়ারা ডাইক ভেঙ্গে ১৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গতকাল সোমবার ভোরে উপজেলার সাদীপুর ইউপির লামা তাজপুর জব্বার মিয়ার বাড়ির পাশে ডাইকের প্রায় ৫০ ফুট এলাকা কুশিয়ারার নদীর পানির প্রবল স্্েরাতে ভেঙ্গে গিয়ে ১৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন সাদীপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডের সুরিকোনা, ইসলামপুর, দক্ষিণ কালনীচর, উত্তর কালনীচর, পূর্ব কালনীচর, ২নং ওয়ার্ডেও সুন্দিখলা, সম্মানপুর, মোকামপাড়া, রহমতপুর, চাতলপাড়, পূর্ব সুন্দিখলা, সম্মানপুর, ৭নং ওয়ার্ডের সাদীপুর, সৈয়দপুর ও ৮নং ওয়ার্ডের লামাতাজপুর, চরা তাজপুর, পূর্ব তাজপুর, টুকরাগাঁও গ্রামের প্রায় ২৫হাজার অধিবাসী। এ দিকে গত শীত মৌসুমে পানি উন্নয়ন বোর্ডেও তালিকাভূক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্টান আবুল হোসেন এন্টার প্রাইজ নিয়ম থেকে ডাইকের সাড়ে তিন ফুট মাটি ভরাট না কওে অনিয়মের কারণে কুশিয়ারা নদীর পানির চাপের কারণে ডাইক ভেঙ্গে গেছে বলে অভিযোগ করেন সাদীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রব ও এলাকাবাসী।

অনিয়মের বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে  সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, আমি বেশী দিন হয়নি এখানে যাগদান করেছি। সাদীপুর ইউপির চেয়ারম্যানের অভিযোগের প্রক্ষিতে ঠিকাদারী প্রতিষ্টানকে কাজের বিল দেয়া হবেনা বলে নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয় ও আমাকে বলেছেন।

এ দিকে ওসমানীনগরের সাদীপুরে কুশিয়ারা ডাই ভেঙ্গে যাবার খবরে  সোমবার দুপুরে ভাঙ্গন স্থল পরিদর্শ করেছেন সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ, ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান ও সাদীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রব।

সাদীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রব বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্টান আবুল হোসেন এন্টার প্রাইজের অনিয়মের কারণে ডাইক ভেঙ্গে আমার ইউপির ১৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডেও নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট অভিযোগ দিয়েছি যেন ঠিকাদরী প্রতিষ্ঠানকে বিল না দেয়ার জন্য।

ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মনিরুজ্জামান বলেন, ডাইকের ভাঙ্গন এলাকা পরিমর্ধন করেছি। স্থানীয় চেয়ারম্যান সহ আমরা প্লাবিত এলাকায় নজরদারী রাখছি মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, ডাইকের ভাঙ্গল এলাকা পরিদর্শণ করেছি। এখানে প্রায় এক কিলোমিটার ডাইক একে বাওে নিচু তাৎক্ষনিক ভাবে অন্য দিকে যাতে আর পানি না চুয়াতে পারে সেজন্য বেশ কিছু বস্তা আমরা স্থানীয় চোরম্যানকে দিয়েছি। তাকে বস্তায় বালি ভরাট করে দুই লেয়ারে ডাইকের ওপর সাজিয়ে রাখতে বলেছি।#