জুলাই ২, ২০১৭
Home » জাতীয় » হাওরে দুর্নীতি: ৬১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

হাওরে দুর্নীতি: ৬১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

এইবেলা ডেস্ক, ০২ জুলাই:: অসৎ উপায়ে আরো বেশি সরকারি অর্থ হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে হাওরের বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের সঠিক সময়ে শেষ করেননি ঠিকাদাররা। এই বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)অনুসন্ধানে প্রমাণিত হওয়ায় রোববার সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় ৬১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ এ মামলাটি দায়ের করেন। দুদক সূত্র এ তথ্য জানায়।

মামলায় ১৫ জন সরকারি কর্মকর্তাসহ ৪৬ জন ঠিকাদারকে আসামি করা হয়েছে। এরমধ্যে সরকারি কর্মকর্তারা হলেন – সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আফছার উদ্দীন, সিলেট পওর সার্কেলের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম সরকার, সিলেট উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল হাই, সুনামগঞ্জ পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী দিপক রঞ্জন দাস, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী খলিলুর রহমান, সেকশন কর্মকর্তা মো. শহিদুল্লা, ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ খান, খন্দকার আলী রেজা, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. শাহ আলম, মো. বরকত উল্লাহ ভূঁইয়া, মো. মাহমুদুল করিম, মো. মোছাদ্দেক, সজিব পাল ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। আর বাকি ৪৬ জন ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতি বছরে বন্যা আসার সময় ও আশঙ্কা সম্বন্ধে অবহিত থাকা সত্যেও মৌলিক চুক্তি ভঙ্গ করেছে। তারা ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের ৮৪টি প্যাকেজের অসমাপ্ত কাজ নতুনভাবে টেন্ডার আহবান না করে টেন্ডার ছাড়াই ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে পূর্বের ঠিকাদারগনকে ক্যারিওভারের মাধ্যমে কাজ সমাপ্ত করার অনুমতি দেয়। ফলে, মোট ১৬০টি প্যাকেজের মধ্যে ৯টি প্যাকেজের কাজ শুরুই করেনি ঠিকাদাররা। আবার ১৫১টি প্রকল্পের কাজ আংশিক সম্পন্ন করেছে। এর মাধ্যমে আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে ভবিষ্যতে প্রকল্পের (সরকারি অর্থ) টাকা আত্মসাৎ করার সুযোগ সৃষ্টি করে। এছাড়া কৃষকের ও জনসাধারণের আর্থিক ক্ষতি সাধন করে।