জুলাই ২৪, ২০১৭
Home » জাতীয় » কমলগঞ্জে কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা

কমলগঞ্জে কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা

এইবেলা, কমলগঞ্জ . ২৪ জুলাই ::

কুষ্ঠ রোগের বিস্তার, চিকিৎসা ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে সাংবাদিকদের নিয়ে হীড বাংলাদেশ কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের উদ্যোগে এক অবহিতকরন সভার আয়োজন করা হয়। সোমবার ২৪ জুলাই কমলগঞ্জে হীড বাংলাদেশ কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ অফিস কক্ষে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 হীড বাংলাদেশের কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের ইনচার্জ পরেশ দেবনাথের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন হীড বাংলাদেশের অপারেশন ডিরেক্টর পিটার অমিত হালদার। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের অসিত কুমার পাল, প্রদীপ পাল প্রমুখ।

কর্মশালায় আলোচকরা বলেন, তাদের জরিপ কার্যক্রমে বৃহত্তর সিলেটের চা বাগান ও বস্তি এলাকায় কুষ্ঠ রোগী পাওয়া যাচ্ছে। এক জরিপে দেখা গেছে চা বাগানে প্রতি ১০ হাজারের মধ্যে ২৫ থেকে ৩০ জন কুষ্ঠ রোগী রয়েছে। এছাড়া গ্রাম এলাকায়ও মাঝে মধ্যে দু,একজন কুষ্ঠ রোগী পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান।

অসচেতনতা, নোংরা পরিবেশ ও পুষ্টির অভাবজনিত কারণে এসব রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কর্মশালায় আরো জানানো হয় ১৯৭৬ থেকে ১৯৯৮ সন পর্যন্ত হীড বাংলাদেশের কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ ১৩ হাজার ৭৭৬ জন রোগীর চিকিৎসার মধ্যদিয়ে সুস্থ্য করেছে।

প্রধান আলোচক হীড বাংলাদেশের অপারেশন ডিরেক্টর পিটার অমিত হালদার বলেন, চা শ্রমিকদের জীবনযাত্রার জন্য যক্ষ্মা, কুষ্ঠ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। শরীরের যে কোন স্থানে হালকা ফ্যাকাশে বা লালচে অনুভূতিহীন দাগ, এই দাগ চুলকায় না এবং ঘাম হয় হয় না, দাগের মধ্যে লোমগুলো ঝরে যায়, কোন কোন ক্ষেত্রে শরীরের প্রান্তি স্নায়ুসমূহ ব্যথাযুক্ত ও মোটা হয়ে যায়, এই লক্ষণগুলো কারো মধ্যে দেখা দিলে বুঝতে হবে সে কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত। এই রোগ ৬ মাস থেকে ১ বছর নিযমিত চিকিৎসা গ্রহণ করলেই কুষ্ঠ রোগ সম্পূর্ণ ভাল হয়ে যায়। প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও এনজিও ক্লিনিকে এ রোগের বিনামূল্যেই চিকিৎসা করে থাকে।#