- জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, রাজনীতি, স্থানীয়, স্লাইডার

কুলাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগ ১৭ নেতার ৩ গ্রুপ

এইবেলা, কুলাউড়া. ২৬ আগস্ট ::

কুলাউড়া উপজেলা, পৌরসভা ও কলেজ ছাত্রলীগের পুর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা হওয়ার আগেই দলীয় কোন্দল প্রকাশ্য রূপ নিলো। কমিটি অনুমোদন লাভের পর প্রায় ৮মাস অতিবাহিত হলেও অনুমোদিত নেতারা বসতে পারেননি এক টেবিলে। ফলে ৩ ইউনিটে ১৭ নেতা এখন ত্রিধাবিভক্ত। মুলত উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন্দলই ভর করেছে ছাত্রলীগের উপর।

চলতি বছর ১০ জানুয়ারি মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগ কুলাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গিসেবে নিয়াজুল তায়েফ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবু সায়হাম রুমেলসহ ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা কনে। কমিটির সহ সভাপতি তুহিনুজ্জামান ইয়াকুব, আবু সালেহ কামরুল, খায়রুল আলম মিঠু ও নাহিদুল ইসলাম সুয়েব। যুগ্ম সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন লিটন, রাহাতুজ্জামান রাজু ও সুদীপ্ত চৌধুরী সপ্তম। পৌর ছাত্রলীগে হাবিবুর রহমান জনিকে সভাপতি ও ইমন আহমদকে সাধারণ সম্পাদক করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির সহ-সভাপতি রনি পারভেজ ও রায়হান মোর্শেদ হৃদয়, যুগ্ম সম্পাদক জসিম উদ্দিন ও কামরুল হাসান লিজু। কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজে জাকারিয়া আলম জেবুকে সভাপতি ও আনোয়ার হোসেন বক্সকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার প্রায় ৮ মাস অতিবাহিত হতে চলেছে কিন্তু ১৭ নেতার এক টেবিলে বসা হয়নি। সম্ভব হয়নি কমিটি পুর্নাঙ্গ করার। কমিটি ঘোষণার পর থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুই মেরুতে অবস্থান করেন। মুলত উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন্দলে তারাও বিভক্ত হয়ে পড়েন। ৩ ইউনিটে অনুমোদিত ১৭ নেতা ত্রিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছেন।

সভাপতি নিয়াজুল তায়েফ গ্রুপের সাথে সহ-সভাপতি আবু সালেহ কামরুল, যুগ্ম সম্পাদক রাহাতুজ্জামান রাজু, পৌর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রনি পারভেজ ও যুগ্ম সম্পাদক কামরুল হাসান লিজু।

সাধারণ সম্পাদক আবু সায়হাম রুমেল গ্রুপে আছেন উপজেলা সহ-সভাপতি নাহিদুল ইসলাম সুয়েব, যুগ্ম সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন লিটন, পৌর যুগ্ম সম্পাদক রায়হান মোর্শেদ হৃদয় ও কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া আল জেবু ।

এছাড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান জনি, সাধারণ সম্পাদক ইমন আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক জসিম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তুহিনুজ্জামান ইয়াকুব, খায়রুল আলম মিঠু, যুগ্ম সম্পাদক সুদীপ্ত রায় চৌধুরী ও কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বক্স রয়েছেন একই গ্রুপে।

ছাত্রলীগের এই দলীয় কোন্দল প্রকাশ্য রূপ নেয় ২৪ আগস্ট বৃহস্পতিবার। ওইদিন সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতা ও কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি জাকারিয়া আল জেবু আহত হন সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মীর হাতে। রাতে চলে বিক্ষোভ মিছিল পাল্টা মিছিল।

কুলাউড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান জনি জানান, কমিটি ঘোষণার পর আর একত্রে বসা হয়নি। কেন্দ্রিয় ও জেলা নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে জুলাই মাসে সার্কিট হাউজে সভা হয়। সেখানে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হলেও তা সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি।

কুলাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সায়হাম রুমেল জানান, ছাত্রলীগে কোন কোন্দল নাই। কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির উপর হামলা করেছে সন্ত্রাসী। সে ছাত্রলীগের কেউ নয়। তবে আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পৃথকভাবে অংশ নেন বলে স্বীকার করেন। পুর্নাঙ্গ কমিটির অনুমোদনের জন্য জেলা কমিটির কাছে জমা হয়েছে। আগস্ট পরে পুর্নাঙ্গ কমিটি অনুমোদন হবে।

কুলাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিয়াজুল তায়েফের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলেও তিনি এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন।#

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *