- জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, শিক্ষাঙ্গন, স্লাইডার

সারাদেশে ছাত্র ধর্মঘট ২৯ জানুয়ারি

এইবেলা, ঢাকা. ২৪ জানুয়ারি ::

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের কার্যালয়ে ‘নিপীড়নবিরোধী’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে ২৯ জানুয়ারি সারাদেশে ছাত্র ধর্মঘট ডেকেছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। বুধবার দুপুরে ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে বাম ছাত্র সংগঠনের জোটটির সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের একাংশের সভাপতি ইমরান হাবিব রুমন এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, এর আগে ২৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রাজু ভাস্কর্যের সামনে সংহতি সমাবেশ করা হবে।

ভিসি কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে হামলার ঘটনায় দায়ী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের শাস্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচে আহতদের চিকিৎসা করা, প্রক্টর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচির সময় ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা প্রত্যাহার এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের নির্বাচন দেয়ার দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

রুমন বলেন, আদালত ছয় মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন করার রায় দিয়েছে। সেই নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যেই মঙ্গলবার ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।

তিনি বলেন, মঙ্গলবারের হামলার ঘটনার প্রতিবাদে প্রগতিশীল ছাত্রজোট বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে। সিলেট এমসি কলেজ এবং ঢাকায় মিরপুর বাংলা কলেজে এ কর্মসূচিতেও হামলা হয়েছে।

এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে দুই দফা হামলার ঘটনায় দায়ী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, প্রক্টর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচির সময় ভাঙচুরের অভিযোগে করা মামলা প্রত্যাহার এবং অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রফ্রন্টের আরেক অংশের সভাপতি নাঈমা খালেদ মনিকা, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবির, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুজন ও ছাত্রফ্রন্টের একাংশের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স।

উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার দুপুর থেকে আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনে নিজ কার্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামানকে চার ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন। এর একপর্যায়ে উপাচার্য আখতারুজ্জামানের সহায়তায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এগিয়ে আসলে তাদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। ছাত্রলীগ কর্মীরা বিক্ষোভকারীদের হ্যান্ডমাইক আছড়ে ফেলে ভেঙে ফেলেন।

পরে দুই পক্ষে দফায় দফায় সংঘর্ষ হলে অন্তত ৩০ জন আহত হন। রড নিয়ে এসে পিটুনি দেয়া হয় বিক্ষোভকারীদের অন্তত তিনজনকে।

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *