- জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, স্থানীয়, স্লাইডার

বড়লেখায় নিখোঁজের ১০ দিন পর স্কুলছাত্রের খন্ডিত লাশ উদ্ধার নৃসংশ হত্যাকান্ডে স্তব্দ এলাকাবাসী

 

আব্দুর রব, বড়লেখা, ২৯ জানুয়ারি ::

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নিখোঁজের ১০দিন পর স্কুলছাত্র আব্দুল্লাহ হাসানের (১৫) ছিন্নভিন্ন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর এলাকার আরব আলীর নির্জন টিলার ঢালু স্থান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। রাত সোয়া ৮টার দিকে এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল।

গত ১৮ জানুয়ারি আব্দুল্লাহ হাসান স্থানীয় বাজার থেকে নিখোঁজ হয়। সে মোহাম্মদনগর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে এবং সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মনির আহমদ একাডেমির নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। নিখোঁজ হওয়ার পর গত ১৯ জানুয়ারি হাসানের মা নাজমা ইয়াছমিন বড়লেখা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে,  রোববার বিকেলের দিকে দু’জন নারী ওই টিলা থেকে রেমা সংগ্রহ করতে যান। তারা ঘটনাস্থলের কাছে গেলে দুর্গন্ধ পেয়ে সেখান থেকে ভয়ে ফিরে আসেন। পরে তারা বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানান। স্থানীয়ভাবে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত সাড়ে ৭টার দিকে লাশ উদ্ধার করে। লাশটি ছিন্নভিন্ন অবস্থায় পড়েছিল। কমরের নিচ থেকে এক টুকরো এবং মাথার খুলি অন্য এক স্থানে। বিচ্ছিন্ন একটি হাত শরীর থেকে দূরে পড়েছিল। ঘটনাস্থল আব্দুল্লাহ হাসানের বাড়ি থেকে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার দূরে। স্বজনরা তার লাশ সনাক্ত করেন।

জিডিতে নিহত হাসানের মা উল্লেখ করেন, গত ১৮ জানুয়ারি বিকেল আনুমানিক চারটার দিকে খেলাধুলার জন্য আব্দুল্লাহ হাসান বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর সে আর বাড়িতে ফিরেনি। আত্মীয়স্বজনের বাড়িতেও তাঁকে খোঁজ করে পাওয়া যায়নি। পরদিন (১৯ জানুয়ারি) বড়লেখা থানায় জিডি করা হয়েছে।

থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সহিদুর রহমান স্কুলছাত্রের খন্ডিত ও আংশিক গলিত লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে গতকাল রাতসোয়া ৮টায় জানান, ‘নিখোঁজের পর হাসানের মা জিডি করেন। এরপর থেকে আমরাও খোঁজছিলাম। বিকেলে স্থানীয়ভাবে খবর পেয়ে সেখানে যাই। লাশের মাথা ও হাত বিচ্ছিন্ন। মনে হচ্ছে কাটা। শরীরের মাংস অনেকটাই ঝরে গেছে। এটি নৃসংশ হত্যাকান্ড বলেই মনে হচ্ছে’।#

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *