এপ্রিল ১১, ২০১৮
Home » কৃষি » কুলাউড়ায় সরকারী নালা বন্ধ করে পানি নিস্কাসনে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ

কুলাউড়ায় সরকারী নালা বন্ধ করে পানি নিস্কাসনে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ

এইবেলা, কুলাউড়া, ১১ এপ্রিল :: কুলাউড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নে লক্ষীপুর এলাকায় রাস্তার সাথে সংযোগ একটি নালা (ড্রেইন) বন্ধ করে পানি নিস্কাসনে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিকার চেয়ে ৩৬ স্বাক্ষরিত ভুক্তভোগীদের পক্ষে ওই এলাকার মো. দুদু মিয়া কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, সদর ইউনিয়নের লক্ষীপুর এলাকায় কাচা রাস্তা সংলগ্ন একটি নালা (ড্রেইন) দিয়ে দেওছড়া থেকে পানি এনে ওই এলাকার কৃষকরা কৃষিকাজ করে থাকেন। এছাড়াও রাস্তার উভয় পাশের্^ অবস্থিত বাড়িগুলোর পানি ওই নালা দিয়ে নিস্কাশিত হয়। বর্তমানে ওই নালাটির প্রায় ২শ ফুট জায়গা পাশর্^বর্তী বাড়ির লিয়াক মিয়া, আরফান মিয়া, ফুরকান মিয়া, সুবেল মিয়া, তৈয়মুছ মিয়া গংরা ভরাট করে রেখেছেন। যার কারনে রাস্তার পাশর্^বর্তী বসত-বাড়ীতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। পাশাপাশি পানি আনতে না পারায় গেল সুস্ক মৌসুমে ক্ষেত-কৃষি ও বিভিন্ন ফসলাদী ফলাতে বিপাকে পড়েন স্থানীয় কৃষকরা।

সরেজমিন গেলে পাশর্^বর্তী বাড়ির বাসিন্দা রোসনা বেগম, কয়ছর মিয়া, রুশন মিয়া, গেন্দু মিয়া ও সায়রা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমাদের বাড়িগুলো জলাবদ্ধ করতে এবং পানির অভাবে পাশর্^বর্তী কৃষি জমিগুলো যাতে ক্ষেত করতে না পারি সেই লক্ষে পরিকল্পিতভাবে তারা এই নালাটি বন্ধ করে রেখেছে। তাই নিরুপায় হয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে বিষয়টি অবগত করে আমরা প্রশাসনের দারস্থ হয়েছি।

এব্যাপারে লিয়াক মিয়া, তৈয়মুছ মিয়া জানান, রাস্তার দুই পাশ দিয়েই আগে নালা ছিল। পূর্বপাশের নালা পাশর্^বর্তী বাড়ির লোকজন বন্ধ করে দখল করেছেন। আমার পাশে এখনও নালা রয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় কিছুটা ভরাট হয়ে গেছে।

এদিকে সরকারী জায়গার উপর প্রবাহমান নালা ভরাটের সত্যতা নিশ্চিত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুলাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে একটি প্রতিবেদন প্রেরণ করেন সদর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা প্রদীপ দাশ গুপ্ত এবং উপ সহকারী কর্মকর্তা সাধন চন্দ্র দাস।

এব্যাপারে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মো. গোলাম রাব্বী অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টির প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জকে বলেছি।#