জুন ২৫, ২০১৮
Home » জাতীয় » বড়লেখায় বন্যার অবনতি : ৬০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিবন্দী

বড়লেখায় বন্যার অবনতি : ৬০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিবন্দী

এইবেলা, বড়লেখা, ২৫ জুন ::

বড়লেখায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। রোববার বিকেল ও রাতের প্রায় ৬ ঘন্টার ভারি বৃষ্ঠিপাতে উপজেলার ৫ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। কুলাউড়া-বড়লেখা আঞ্চলিক মহাসড়কের ৩ স্থানের ওপর দিয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। হাওরপাড়ের দাসেরবাজার-বাছিরপুর এলজিইডি রাস্তার ৭ জায়গায় বন্যার পানি উঠেছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে উপজেলার ৫৫টি প্রাইমারী স্কুল ও ৫টি মাধ্যমিক স্কুল। এরমধ্যে ৯টি প্রাইমারী স্কুল ও ১টি মাধ্যমিক স্কুলের পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

জানা গেছে, ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন স্থানের ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে গত ১ সপ্তাহ ধরে হাকালুকি হাওরে পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। এতে উপজেলার তালিমপুর, সুজানগর, বর্নি, দাসেরবাজার ও নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। শনিবার হাকালুকি হাওরে বন্যার পানি কিছুটা কমলেও রোববারের কয়েক দফা ভারি বৃষ্টির কারণে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। গত ১ সপ্তাহ ধরে উপজেলার ৫ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের ৫৫টি প্রাইমারী স্কুল ও ৫টি হাইস্কুল পানিবন্দী হয়ে পড়ে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এরমধ্যে হাজী শামছুল হক উচ্চ বিদ্যালয়, হাল্লা, গগড়া, মুর্শিবাদকুরা, খুটাউরা, কামিলপুর, শ্রীরামপুর, পাবিজুরী, বাঘমারা ও পাটনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রফিজ মিয়া জানান, বন্যার কারণে গত কয়েক দিন ধরে ৯টি স্কুলের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। অর্ধ শতাধিক স্কুলের রাস্তা ও মাঠে পানি ঢুকেছে। এগুলোর পাঠদান বন্ধ না হলেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসন সবধরণের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র। বন্যা কবলিত ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ১০ জনের স্বেচ্ছাসেবক টিম এবং উপজেলা ভিত্তিক আরো ৩টি টিম গঠিত হয়েছে। এরা প্রয়োজন মত খাবার সেলাইন, ঔষধ, শুকনো খাবার ও ত্রাণ বিতরণ করবে। তিনি আরো জানান, বন্যা পরিস্থিতি এখনও প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রিও মজুত রয়েছে।#