জুলাই ১১, ২০১৮
Home » জাতীয় » বড়লেখায় দলিল রেজিষ্ট্রেশনে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের তদন্ত

বড়লেখায় দলিল রেজিষ্ট্রেশনে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগের তদন্ত

এইবেলা, বড়লেখা, ১১ জুলাই ::

মৌলভীবাজারের বড়লেখা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে দলিল রেজিষ্ট্রেশনে প্রায় পৌনে ৫ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির ঘটনার তদন্ত ১১ জুলাই বুধবার বিকেলে সম্পন্ন হয়েছে।

‘বড়লেখায় ভুমির শ্রেণী পরিবর্তন করে রেজিষ্ট্রী : লাখ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি’ শিরোনামে দুর্নীতির সংবাদ ছাপা হলে মৌলভীবাজার জেলা রেজিষ্ট্রার মো. মতিউর রহমানের নির্দেশে কুলাউড়া উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার মো. বেলাল উদ্দিন আকন্দ বড়লেখা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা তদন্ত করেন।

জানা গেছে, বড়লেখা পৌরশহরের মহুবন্দ মৌজায় বাড়ি শ্রেণীর ২৪ শতাংশ ভুমির মালিক জুড়ী উপজেলার তালতলা গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার ছেলে তাজউদ্দিন। এ ভুমির সরকার নির্ধারিত বাজার মূল্য প্রায় ৭৯ লাখ টাকা। বড়লেখার বর্নি ইউনিয়নের নোয়াগাও গ্রামের মৃত হাজী আব্দুস সত্তারের ছেলে খান বাবুল ফারুক উদ্দিন এ ভুমি ক্রয় করেন। বড়লেখা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের তালিকাভুক্ত দলিল লেখক নিপেন্দ্র কুমার নাথ বাড়ি শ্রেণীর এ ভুমিকে ছাড়াবাড়ি শ্রেণী দেখিয়ে ভুয়া পর্চা তৈরীর মাধ্যমে গত ৯ মে মাত্র সাড়ে ৩১ লাখ টাকা মূল্য ধরে দলিল রেজিষ্ট্রী করেন (দলিল নং-১৬১৫)। এ ক্ষেত্রে প্রায় পৌনে ৫ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা ঘটে।

কুলাউড়া উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার মো. বেলাল উদ্দিন আকন্দ জানান, জেলা রেজিষ্ট্রারের নির্দেশে গত বুধবার বড়লেখায় গিয়ে দলিল রেজিষ্ট্রেনে রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা তিনি তদন্ত করেছেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট দলিল লেখক নৃপেন্দ্র কুমার নাথ ও ভুমি বিক্রেতা তাজ উদ্দিনের জবানবন্দী নেন। নোটিশ করা স্বত্ত্বেও ভুমি ক্রেতা খান বাবুল ফারুক উদ্দিন তদন্তে অংশগ্রহণ করেননি।

বড়লেখা উপজেলা রেজিষ্ট্রার রফিকুল ইসলাম দলিল রেজিষ্ট্রেশনে রাজস্ব ফাঁকির সত্যতা স্বীকার করে জানান ভুমির শ্রেণী পরিবর্তন করে ৪ লাখ ৭১ হাজার ৮৮৬ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হয়। ঘটনা অবহিত হওয়ার পরই তিনি দলিল লেখক নৃপেন্দ্র কুমার নাথের লাইসেন্স স্থগিত করেছেন। ভুমি ক্রেতাকে গত ২৮ জুনের মধ্যে রাজস্ব ফাঁকির এ টাকা জমা দেয়ার নোটিশ দেয়া স্বত্ত্বেও অদ্যাবধি তা জমা দেননি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে চিঠি পাঠানো হবে।#