নভেম্বর ১৮, ২০১৮
Home » জাতীয় » শ্রীমঙ্গলে পিইসিতে ভুয়া আট পরীক্ষার্থী

শ্রীমঙ্গলে পিইসিতে ভুয়া আট পরীক্ষার্থী

সৈয়দ ছায়েদ আহমদ, শ্রীমঙ্গল, ১৮ নভেম্বর ::

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পিইসি পরীক্ষায় আনন্দ স্কুলের পরীক্ষার্থী সেজে পরীক্ষা দিতে গিয়ে হলে ধরা পড়েছে আট ভুয়া পরীক্ষার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীমঙ্গলে উপজেলার সাতগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্রে। এসময় ধরা পড়ার ভয়ে আরো বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থী হল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: সাইফুল ইসলাম তালুকদার জানান, তারা আনন্দ স্কুলের বিরোদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

জানা যায়, রোববার থেকে সারা দেশে একযোগে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) ইংরেজি প্রথমপত্রে পরীক্ষা শুরু হয়। এসময় শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাঁতগাও উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে দেখে সন্দেহ হলে তাদের যাচাবাছাই করা হয়। এক পর্যায়ে আট ভুয়া পরীক্ষার্থী সনাক্ত করে তাদের আটক করা হয়। এবং এ ঘটনা দেখে ধরা পড়ার ভয়ে অন্যরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানিয়েছে তারা সবাই রক্স প্রকল্পে পরিচালিত আনন্দ স্কুলে শিক্ষার্থী হয়ে তারা পরীক্ষা দিতে এসেছে। কয়েকজন অভিবাবক জানান, তাদেরকে আনন্দ স্কুলের শিক্ষকার টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় নিয়ে এসেছেন।

পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীরা তারা প্রত্যেকেই জুনিয়র সার্টিফিকেট পরীক্ষার্থী (জেএসসি) বলে জানা যায়।

পরবর্তীতের পিইসি পরীক্ষা পরিচালনা কেন্দ্র কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক যে আট পরীক্ষার্থীর প্রক্সি দিতে এসেছিল তাদের প্রত্যেককে অনুপস্থিত দেখিয়ে বিদায় করে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম তালুকদার জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। কেন্দ্রের সচিব তাদের বের করে করে দিয়েছেন। তারা নাকি সবাই আনন্দ স্কুলের ছাত্র। এ ঘটনায় তিনি আনন্দ স্কুলের বিরোদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

এব্যাপারে জানতে চাইলে আনন্দ স্কলের টেনিং কো-ডিনেটর মোস্তাক আহমদ জানান, তিনি উপজেলা শিক্ষা অফির্সার এর কাছ থেকে ঘটনাটি শুনেছেন। ভুয়া শিক্ষার্থীরা আনন্দ স্কুলে কিনা তিনি জানেন না। তবে এধরণের ঘটনা হলে এর দায়ভার ওই স্কুলের শিক্ষকের উপর ভর্তায়। তিনিও ওই স্কুলের বিরোদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

শ্রীমঙ্গল শিক্ষা অফিস সুত্রে জানাযায়, উপজেলায় মোট পিইসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ হাজার ৮শ জন। এর মধ্যে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৩৬ জন। ইবতেদায়ি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৩৪ জন এবং তাদের মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৩০ জন।#