- ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, রাজনীতি, স্থানীয়, স্লাইডার

রাজনগরে যুবলীগের কাউন্সিল ১২ জানুয়ারি পদ প্রত্যাশিদের দৌঁড়ঝাঁপ

এইবেলা, রাজনগর, ১০ জানুয়ারি ::

দীর্ঘ ২ দশক পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাজনগর উপজেলা যুবলীগের কাউন্সিল। ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত এ কাউন্সিল। পদ প্রত্যাশিরা দৌড়ঝাঁপ দিচ্ছেন বিভিন্ন নেতাদের কাছে। জাতীয় নির্বাচনের পরপরই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ায় নেতাকর্মীরাও বেশ তৎপর।

যুবলীগের নেতারা জানান, দুই দশক আগে সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে রাজনগর উপজেলা যুবলীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সময়ে বর্তমান মনসুরনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিলন বখত সভাপতি ও জাকির হোসেন ছিলেন সাধারণ সম্পাদক। জাকির হোসেন মারা গেলে শূণ্য পদ পূরণে ২০০১ সালে নির্বাচন পরবর্তী সভাপতি মিলন বখতের বাড়িতে ঘরোয়াভাবে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তখন বদরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এরপর আর যুবলীগের কোন কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়নি। দীর্ঘদিন ধরেই সভাপতি সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন মনসুরনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিলন বখত ও বদরুল ইসলাম।

এদিকে ওই কমিটি কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে কাউন্সিল করার জন্য উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ইউপি কমিটি গঠন করে। উপজেলা শাখার কাউন্সিল অনুষ্ঠানের তারিখও ধার্য হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু অদৃশ্য কারণে ওই কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে নতুন আহ্বায়ক কমিটি করে কেন্দ্রীয় যুবলীগ। এনিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে অশন্তোষও দেখা দিয়েছিল। আহ্বায়ক কমিটি ৩ মাসের মধ্যে সম্মেলন করার কথা ছিল। কিন্তু কয়েকবার পিছিয়ে এখন ১২ জানুয়ারি ধার্য করা হয়েছে সম্মেলনের তারিখ।

তারিখ ঘোষণার পরপরই শুরু হয়েছে নেতাকর্মীদের মাঝে তৎপরতা। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে পদপদবীর আশায় তৎপর নেতাকর্মীরা শুরু করেছেন দৌড়ঝাঁপ। চলছে ঠা-ামাথার লড়াই। তবে উর্ধ্বতন নেতারাও কাউকেই নিরাশ করছেন না। ১২ জানুয়ারি সকাল ১১টার সময় উপজেলার গোবিন্দবাটিতে অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে নব-নির্বাচিত এমপি নেছার আহমকে প্রধান অতিথি করা হয়েছে। বিশেষ অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফজলুল হক আতিক উপস্থিত থাকবেন বলে যুবলীগ নেতারা নিশ্চিত করেন।

যুবলীগের সম্মলনে সম্ভাব্য সভাপতি পদে যাদের নাম শুনা যাচ্ছে তারা হলেন- উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ময়নুল ইসলাম খান, মুন্সিবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছালেক মিয়া। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন বর্তমান আহ্বায়ক আব্দুল কাদির ফৌজি, যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক পাপলু। এদিকে সভাপতি হিসেবে সৎ ও দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে অধিক পরিচিত কামারচাক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজমুল হক সেলিমের নামও আলোচনায় রয়েছেন। তবে এদের বাইরেও কেউ পদ পেয়ে চমক দেখাতে পারেন বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।

এব্যাপারে দীর্ঘদিন যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মনসুরনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিলন বখত বলেন, দীর্ঘদিন দলের দায়িত্বে ছিলাম। দলের জন্য নিজের জীবন উজার করে দিয়ে কাজ করেছি। এটা সব নেতাকর্মীরাই জানে। আমার করা ইউনিয়ন কমিটিই কাউন্সিলর। নতুন কমিটির সকলেই দলের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করবে এটাই প্রত্যাশা।#

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *