ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৯
Home » জাতীয় » কুলাউড়ার হাজীপুরে শুদ্ধসুরে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা

কুলাউড়ার হাজীপুরে শুদ্ধসুরে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা

এইবেলা, কুলাউড়া, ০৫ ফেব্রুয়ারি ::

কুলাউড়া উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ইউনিয়নের ২৬ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে শুদ্ধসুরে জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৪ ফেব্রুয়ারি সোমবার হাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত প্রতিযোগিতা সকাল ১১টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, গীতা পাঠ ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়।  প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২টি বেসরকারি প্রাথমিক ও ৪টি উচ্চ বিদ্যালয় অংশ নেয়।

প্রতিযোগিতা শেষে বিচারকদের রায়ে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে পাবই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় হরিচকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তৃতীয় হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। উচ্চ বিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে নয়াবাজার কেসি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, দ্বিতীয় হাজিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও তৃতীয় কানিহাটি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান উপজেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণ করবে।

বিকেলে প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চুর সভাপতিত্বে ও দফাদার মোঃ রহমান খানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন নয়াবাজার কেসি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ প্রভাত চন্দ্র শর্মা, কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সমাজসেবক রেজাউর রহমান চৌধুরী কয়ছর, প্যানেল চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান হেলাল, নয়াবাজার কেসি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক শুভেন্দু বিকাশ দেব, হাজিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক সুমন্ত গোপাল দেব, হাজিপুর প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদক হাবিবুর রহমান, পাবই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুপ্তা ভট্টাচার্য, কালের কণ্ঠ প্রতিনিধি মাহফুজ শাকিল, সংবাদ প্রতিদিন প্রতিনিধি সৈয়দ আশফাক তানভীর, সাংবাদিক জয়নাল আহমদ প্রমুখ। এছাড়া ইউনিয়নের সকল প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য-সদস্যাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত বাচ্চুর ভূয়সী প্রশংসা করেন বলেন, অতীতে হাজীপুর ইউনিয়নে কোনো জাতীয় দিবস পালিত হতে দেখা যায়নি। কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জাতীয় দিবসগুলো পালনের পাশাপাশি নানা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। যা বর্তমান প্রজন্মকে অনেক উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করবে।#