- অর্থ ও বাণিজ্য, ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, স্থানীয়, স্লাইডার

কুলাউড়ার জয়চন্ডী থেকে পাচারকালে মুলিবাঁশ আটক

এইবেলা, কুলাউড়া, ০৭ মার্চ ::

কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়ন থেকে পাচারকালে প্রায় চার শতাধিক মুলিবাঁশসহ একটি টাক্টর জব্দ করেছে বন বিভাগের লোকজন। বৃহস্পতিবার (৭মার্চ) সন্ধ্যায় ইউনিয়নের দিলদারপুর এলাকা থেকে পুটিছড়া বনবিটের লোকজন এ বাঁশ ও টাক্টর জব্দ করেন। জব্দকৃত টাক্টর ও বাঁশ কুলাউড়া রেঞ্জ অফিসারের কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।

এদিকে পুটিছড়া বনবিটের বিট অফিসার বলেন, বাঁশের মালিক বা গাড়ি চালককে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। অপরদিকে স্থানীয় লোকজন বলেন, বাঁশ ও গাড়ি আটক করার পর পরই টাক্টর চালককে নিয়ে উত্তর রংগীরকুল এলাকার মাসুক মিয়াকে পালিয়ে যেতে দেখেছেন।

জুড়ী রেঞ্জের পুটিছড়া বনবিটের বিট অফিসার জানান, বাঁশ পাচারের গোপন সংবাদ পেয়ে জয়চন্ডী ইউনিয়নের দিলদাপুর উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠের পাশে অবস্থান নেন তারা। এসময় একটি টাক্টরে বাঁশ নিয়ে আসলে তাদের অবস্থানের টের পেয়ে মাঠের পাশেই টাক্টর দাড় করে চালক পালিয়ে যায়। আমরা বাঁশ ও টাক্টর জব্দ করে কুলাউড়া রেঞ্জ অফিসারের কার্যালয়ে রেখেছি।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত জয়চন্ডী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. খালিক মিয়া, ইউপি সদস্য রমজান আলীসহ কয়েজন লোক জানান, আমরা দিলদারপুর এলাকায় একটি বৈঠক শেষে ফিরছিলাম। এসময় ওই স্থানে টাক্টর বোঝাই বাঁশ এবং অনেক লোকজনকে দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে উপস্থিত লোকজনের কাছ থেকে জানলাম উত্তর রংগীরকুল এলাকার মাসুক মিয়া টাক্টরে করে বাঁশগুলো নিয়ে আসছিলেন। এমন সময় বন বিভাগের লোকজনকে দেখে টাক্টর ও বাঁশগুলো ফেলে পালিয়ে যান। পরে বন বিভাগের লোকজন সেগুলো জব্দ করে কুলাউড়ায় নিয়ে যান।

জুড়ী রেঞ্জের পুটিছড়া বনবিটের বিট অফিসার জহিরুল ইসলাম টাক্টর ও বাঁশ জব্দের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাঁশ পাচারের সাথে জড়িত কাউকে আমরা পাইনি। মনে হয় আমাদের অবস্থানের টের পেয়ে সেগুলো ফেলে পালিয়ে গেছে পাচারকারীরা। জব্দকৃত টাক্টর ও বাঁশ কুলাউড়া রেঞ্জ অফিসে রাখা হয়েছে।

কুলাউড়া সহকারী রেঞ্জ অফিসার রিয়াজ আহমদ জানান, পুটিছড়া বন বিটের লোকজন জব্দকৃত টাক্টর ও বাঁশ আমাদের এখানে রেখে গেছেন। পরবর্তীতে তারা এগুলো জুড়ী রেঞ্জ অফিসে নিয়ে যাবেন।

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *