- জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, স্থানীয়, স্লাইডার

বড়লেখায় ষাটমাছড়া পুণঃখনন কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু

আব্দুর রব, বড়লেখা, ১৭ মার্চ ::

বড়লেখা পৌরশহরের অকাল বন্যা ও জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ শহরের উত্তর সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত ষাটমাছড়া (নদী) ভরাট ও ভুমি দস্যুদের জবর দখল। পৌরমেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরীর বিশেষ তৎপরতায় ছড়াটির পুণঃখননের প্রকল্প গ্রহণ করে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)। প্রকল্পের প্রথম ধাপের ২ কিলোমিটার খনন কাজ গত বছর সম্পন্ন হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কর্মসুচির দ্বিতীয় ধাপের ৩ কিলোমিটার এলাকার খনন কাজের উদ্বোধন করেন মেয়র কামরান চৌধুরী।

বড়লেখা ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন ষাটমা ব্রীজের পার্শে খননকাজের উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সিরাজ উদ্দিন, পৌরসভার কাউন্সিলার আব্দুল মালিক ঝুনু, বিএডিসি’র সাব-এসিসটেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো. গিয়াস উদ্দিন, সাংবাদিক আব্দুর রব, ইকবাল হোসেন স্বপন, ইউপি মেম্বার ফারুক আহমদ, মাওলানা জুবায়ের আহমদ, ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ, মৌলুদ হোসেন চৌধুরী, এবাদুর রহমান প্রমূখ।

বিএডিসি সুত্রে জানা গেছে, বন্যা, জলাবদ্ধতা ও তীরবর্তী পতিত ভুমি সেচের আওতায় নিয়ে আসতে বড়লেখার ষাটমা ছড়া পুণঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)। বিএডিসি’র সিলেট বিভাগ ক্ষুদ্র উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গত বছর কর্মসুচির প্রথম ধাপে ষাটমাছড়ার ২ কিলোমিটার এলাকা পূণঃখনন করা হয়। একই প্রকল্পের আওতায় আরো ৩ কিলোমিটার এলাকা দ্বিতীয় ধাপে পূণঃখনন কাজের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এতে সরকারের ব্যয় হচ্ছে ৩৫ লাখ টাকা।

বিএডিসি’র সাব-এসিসটেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, ষাটমাছড়ার প্রথম ধাপের খনন কাজ গত বছর সম্পন্ন হয়েছে। চলিত বছর পৃথক দুটি লটে ছড়ার আরো ৩ কিলোমিটার পূণঃখনন কাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুধু বড়লেখা পৌরশহরের অকাল বন্যা ও জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানই হবে না, এছাড়াও ষাটমা ছড়ার উভয় তীরের ব্যাপক কৃষি জমি চাষাবাদের আওতায় আসবে।#

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *