মে ২, ২০১৯
Home » বিনোদন » এটিএম শামসুজ্জামানের শারীরিক অবস্থা উন্নতি হচ্ছে

এটিএম শামসুজ্জামানের শারীরিক অবস্থা উন্নতি হচ্ছে

বিনোদন ডেস্ক, এইবেলা, ২ মে ::

আজ বৃহস্পতিবার (২ মে) সকাল ১১টায় তার ফুসফুসের পরীক্ষা করা হয়েছে। অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।  তার ছোট ভাই সালেহ জামান সেলিম জানান, এখন রিপোর্টের অপেক্ষায় আছি ।

সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. একেএম মোশারফ হোসেন তার ফুসফুস পরীক্ষা করেছেন। তবে এখনো তিনি আজগর আলী হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন। চিকিৎসক ও আমরা তাকে নিয়ে বেশ আশাবাদী’

শারীরিক অবস্থার অবণতি হওয়ায় গত ৩০ এপ্রিল দুপুরে এটিএম শামসুজ্জামানকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। এর আগে একই হাসপাতালে গত ২৬ এপ্রিল ভর্তি হলে ২৭ এপ্রিল তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়। তখন তাকে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। ৭৮ বছর বয়সী এ অভিনেতা অধ্যাপক ডা. রাকিব উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে আছেন।

১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুর গ্রামে এটিএম শামসুজ্জামান জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রের সহকারী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। প্রথম চিত্রনাট্য রচনা করেন ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রের। এরপর এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য, কাহিনি ও সংলাপ রচনা করেছেন এ অভিনেতা। এরমধ্যে জলছবি, জীবন তৃষ্ণা, স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা, যে আগুনে পুড়ি, মাটির ঘর, মাটির কসম, চিৎকার ও লাল কাজল চলচ্চিত্র উল্লেখযোগ্য।

১৯৬৫ সালে অভিনেতা হিসেবে এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। ১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি অসংখ্য নাটক ও টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন।

শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক। এখন পর্যন্ত পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন এ বর্ষিয়ান অভিনেতা। কাজী হায়াতের ‘দায়ী কে’ চলচ্চিত্রের জন্য দুটি শাখায় পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। এরপর চুড়িওয়ালা, মন বসে না পড়ার টেবিলে এবং চোরাবালি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য একই পুরস্কার লাভ করেন এটিএম শামসুজ্জামান।