- জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, স্থানীয়, স্লাইডার

বড়লেখায় স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বামীর স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি

এইবেলা, বড়লেখা, ১৫ জুন ::

বড়লেখায় পান্না বেগমকে (৩০) হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন স্বামী মতছিন আলী (৩৩)। শনিবার ১৫ জুন বিকেলে মৌলভীবাজার আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সাইফুর রহমানের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোশাররফ হোসেন রোববার (১৬ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মতছিন স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর আগে বড়লেখার তালিমপুর ইউপির কলারতলিপার গ্রামের মৃত মাহমুদ আলী ওরফে মাখই মিয়ার ছেলে মতছিন আলীর সাথে বিয়ানীবাজার উপজেলার পাড়িয়াবহর গ্রামের ইসমাইল আলীর মেয়ে পান্না বেগমের বিয়ে হয়। পরিবারের তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। প্রায় ৪ মাস আগে স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে দুই বছরের শিশু সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি পাড়িয়াবহরে চলে যান পান্না বেগম। ওই সময় বড় মেয়ে সুহানাকে (৭) শ্বশুর বাড়ির লোকজন রেখে দেয়। এদিকে সম্প্রতি সুহানা বড়লেখার ইটাউরী গ্রামে তার ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়ে। মেয়ে সুহানার অসুস্থতার খবর পেয়ে পেয়ে পান্না বেগম তাকে দেখতে ইটাউরীতে আসেন। সোমবার (১০ জুন) সকাল ৭টার দিকে সুহানাকে স্থানীয় এক হুজুরের কাছে নিয়ে যাওয়ার সময় দৌলতপুর এলাকায় মসজিদের পাশের রাস্তায় পান্নার স্বামী মতছিন তাকে বাধা দেন। একপর্যায়ে মতছিন পান্নাকে ছুরি দিয়ে উপর্যপুরি আঘাত করে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা আহত পান্না বেগমকে উদ্ধার করে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে পান্নার মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় গত ১১ জুুন নিহত পান্নার ছোটভাই রাজিব আহমদ বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন। গত ১৪ জুন পুলিশ স্ত্রী হত্যাকারী স্বামীকে গ্রেফতার করলেও কুশিয়ারা নদীতে ফেলে দেয়ায় হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা উদ্ধার করতে পারেনি ।#

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *