- জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, স্থানীয়, স্লাইডার

রাজনগরে জুনাব হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতরা পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে

এইবেলা, রাজনগর, ১৩জুলাই ::

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় উপজেলার মনসুরনগর ইউনিয়নের মালিকোনা গ্রামের জুনাইদ ওরফে জুনাব মিয়া (৩৫) হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতরা পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। অবশ্য পুলিশ বলছে, আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এদিকে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে ১২ জুলাই শুক্রবার বিকেলে প্রতিবাদ ও শোকসভা করেছে এলাকাবাসী।

এদিকে ওই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জুনাবমিয়ার মৃত্যুতে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। স্থানীয় জামে মসজিদ ঈদগাহ মাঠ প্রাঙ্গণে শ্বাসমহল, মালিকোনা, প্রেমনগর ও আশ্রাকাপন এলাকাবাসী প্রতিবাদ ও শোকসভার আয়োজন করে। এতে স্থানীয়রা জুনাব হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দ্রুত আইনে মামলার নিষ্পত্তি ও ফাঁসি দাবি জানান।

প্রতিবাদ ও শোকসভায় বক্তব্য দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গির আলম, সাবেক ইউপি সদস্য বিলাল মিয়া, মসজিদ কমিটির সভাপতি মাহমদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মালই মিয়া, আব্দুল মুকিত, আনোয়ার হোসেন, মো. সাজেদ, আব্দুল কুদ্দুছ, লাল মিয়া, আলাউদ্দিন, আলেহ আহমদ, জিলু মিয়া, রিপন মিয়া, খালেদ মিয়া, সদর মিয়া প্রমুখ।

এবিষয়ে রাজনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসিম জানান, এঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। মামলাটি মারামারির দায়ের করা হলেও বর্তমানে মামলাটি হত্যা মামলায় পরিবর্তন করা হয়েছে। আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য, গত ঈদুল ফিতরের দিন (০৫ জুন) সকালে ঈদ জামাতের পর উপজেলার মনসুরনগর ইউনিয়নের মালিকোনা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য বিলাল মিয়া তার পাওনা টাকা আনতে ভাতিজা জুনাব মিয়াকে (৩৫) একই এলাকার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা মিলাদ মিয়ার কাছে পাঠান। এসময় টাকা নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে মিলাদ মিয়া ও শামা উদ্দিন শাবানসহ কয়েকজন তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। খবর পেয়ে বিলাল মিয়াসহ তার আত্মীয়-স্বজনরা জুনায়েদকে উদ্ধার করতে গেলে তাদেরকেও মারধর করা হয়। এঘটনায় ৫-৬ জন আহত হন। আহতরা মৌলভীবাজার হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। কিন্তু আহত জুনাবের অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন বিকেলে তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে হাসপাতালে ভর্তির এক মাস পর গত ৪ জুলাই বৃহস্পতিবার চিকিৎসারত থাকাবস্থায় জুনাব মিয়ার মৃত্যু হয়।

এঘটনায় উপজেলার মালিকোনা গ্রামের আসমান মিয়ার ছেলে মিলাদ মিয়া, সামা উদ্দিন, তছকির মিয়া, মৃত ছমন্দু উল্ল্যাহর ছেলে এরশাদ মিয়া, আজমান মিয়া, রেকাত মিয়ার ছেলে খয়রুল মিয়া, মাইনকা মিয়া, বদরুল মিয়া, সারজন মিয়া ও প্রেমনগর গ্রামের এমরান মিয়ার ছেলে শামসু মিয়ার নামোল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ১০-১২ জনের নামোল্লেখ করে রাজনগর থানায় গত ৬ জুন মামলা দায়ের করেন নিহতের চাচাতো ভাই বিলাল মিয়া। #

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *