- জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, স্থানীয়, স্লাইডার

কুলাউড়ায় মৃত্যুর ১৪ দিন পর ময়না তদন্তের জন্য তাসলিমার লাশ উত্তোলন

এইবেলা, কুলাউড়া, ১৮ জুলাই ::

কুলাউড়া উপজেলার বরমচালে স্কুলছাত্রী কুলসুমা বেগম তাসলিমার (১৬) মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের জন্য ১৪ দিন পর ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় কবর থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।

মৌলভীবাজারের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নেছার উদ্দিনের উপস্থিতিতে কুলাউড়া থানা পুলিশ তাসলিমার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে। উত্তোলনকৃত তাসলিমার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে কুলাউড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান ।

স্কুলছাত্রী কুলসুমা বেগম তাসলিমা (১৭) মৃত্যু নিয়ে নানা বির্তক সৃষ্টি হয় কুলাউড়ায়। মৃত্যুর রহস্য নিয়েঅনলাইন এইবেলাসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে নড়েচড়ে বসে পুলিশ। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কাগজপত্র চাইলে তা দেখাতে ব্যর্থ হয় মেয়েটির পরিবার। ফলে পুলিশ লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের আদালতে আবেদন করে। আদালতের নির্দেশে ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার ময়না তদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করা হয়।

নিহত স্কুল ছাত্রীর পরিবার দাবি-স্ট্রোক করে মৃত্যু হয় স্কুলছাত্রী তাসলিমার। স্কুলছাত্রীর মুত্যুর পর দ্রুততার সাথে দাফন কাফন সম্পন্ন করে তার পরিবার। এতে সন্দেহ দেখা দেয় স্থানীয়দের মাঝে। ধুম্রজাল সৃষ্টি হয় মানুষের মনে। স্থানীয়দের কেউ কেউ জানিয়েছেন মৃতদেহের শরীরের গলায় এবং গালে আঘাতের চিহ্ন ছিলো। তাদের ধারণা তাসলিমাকে হত্যা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার বরমচাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী কুলসুমা বেগম তাসলিমা। গত ০৪ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১১টায় স্কুল ড্রেস পরিহিত ও স্কুলব্যাগসহ তাসলিমা বরমচাল রেলস্টেশন সংলগ্ন কালামিয়ার বাজারের একটি বাসায় প্রেমিক নওমুসলিম আব্দুল আজিজের সাথে দেখা করতে যায়। বিষয়টি বাজারবাসীর সন্দেহ হলে গ্রামপুলিশ কয়ছর মিয়াসহ ব্যবসায়ীরা ওই বাসায় যান। বাসায় গিয়ে ওই স্কুল ছাত্রীর পরিচয় নিশ্চিত করার পর ব্যবসায়ীরা গ্রামপুলিশ কয়ছর মিয়াকে দিয়ে তাসলিমাকে মহলাল (রফিনগর) গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

ঘটনার দিন বিকাল আনুমানিক ৫টায় একটি সিএনজি অটোরিক্সায় করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ির লোকজন তাসলিমাকে নিয়ে বেরিয়ে যান। রাতে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে আবার ফেরৎ আসেন। নিহতের পরিবার তাসলিমার হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ (স্ট্রোক করে) হয়ে মারা গেছেন। পরদিন শুক্রবার এলাকায় মাইকিং করে সকাল ১১ টায় দাফন করা হয়।#

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *