- কুলাউড়া, জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, স্লাইডার

বঙ্গবন্ধুর সমালোচনা করা যাবে- সুলতান মো. মনসুর

এইবেলা, কুলাউড়া, ১৫ আগস্ট ::

ডাকসুর সাবেক ভিপি ও মৌলভীবাজার ০২ (কুলাউড়া) আসন থেকে নির্বাচিত গণফোরামের বহিষ্কৃত নেতা সুলতান মো. মনসুর আহমদ কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ১৫ আগস্ট শোকদিবসের আলোচনা সভা, পুরুস্কার বিতরণ ও যুব ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, অবশ্যই বঙ্গবন্ধুর সমালোচনা করা যাবে, যেমনিভাবে গান্ধির সমালোচনা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ক্ষমতা বা দায়িত্বকালীন সময় নিয়ে অনেকেই সমালোচনা বা রাজনীতি করতে পারবেন। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব দেশে এসেছিলেন, ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। কাজেই বাংলাদেশের স্বাধীন সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ এগুলো নিয়ে নিয়ে কোন সমালোচনা করা যাবে না। ১২ জানুয়ারি থেকে ৭৫ এর ১৫ আগস্ট পর্যন্ত যতদিন ক্ষমতায় ছিলেন সেটা নিয়ে অনেকেই সমালোচনা বা রাজনীতি করতে পারেন। মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ও স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যারা সামালোচনা করবে তাদেরকে জাতীয় বেঈমান বা কুলাঙ্গার বলা ছাড়া আর কিছু বলার থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, দেশ বিদেশী স্বাধীনতা বিরোধীচক্র এদেশের স্বাধীনতা ও এদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা এদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিণত করতে চেয়েছিলো। সেই রাজনীতিক চক্রান্তের শিকার ও নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার। একই চক্রান্তের ধারাবাহিকতায় কারাঘারের অভ্যন্তরে জাতীয় ৪ নেতাকেও হত্যা করা হয়েছে। সেটা ছিলো সুদুর প্রসারী পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনার ধারবাহিক অংশ হিসেবে অনেক ঘটনা দুর্ঘটনা ঘটিয়ে আজকের বাংলাদেশকে এই পর্যায়ে আনা হয়েছে।

কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ইউএনও মো. আবুল লাইছের সভাপতিত্বে এবং মৎস্য অফিসার সুলতান মাহমুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম শফি আহমদ সলমান, সহকারি কমিশনার (ভুমি) সাদিউর রহিম জাদিদ, কুলাউড়া পৌরসভার মেয়র শফি আলম ইউনুছ, জাসদ নেতা গিয়াস উদ্দিন, মইনুল ইসলাম শামীম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান মো. মনসুর আহমদ আরও বলেন, বিভিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে, বিভিন্ন কারণে আজকের এই বাংলাদেশকে একটি অসহায়ত্বের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। দেশপ্রেম ও নৈতিকতা দিয়ে সেই অসহায়ত্ব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে আমাদেরকে সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। এবং ঐক্যবদ্ধ থেকে বাংলাদেদের ভভিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি টানাতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দুটি ছবি টানানোর ক্ষেত্রে কঠোর হতে হবে। যদি ছবি টানানো না হয় সেইসব প্রতিষ্ঠানে আমাদের সহযোগিতা পাবেন না। আমাদের সহযোগিতার হাত সেদিকে প্রশস্থ হবে না।#

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *