- আলোচিত সংবাদ, বড়লেখা, ব্রেকিং নিউজ, স্লাইডার

বড়লেখায় সাংবাদিকের বাড়ির পুকুর পাড়ে মেছো বাঘের ৫ ছানা

আব্দুর রব, বড়লেখা, ১১ ডিসেম্বর ::

বড়লেখায় দৈনিক আমাদের সময়ের উপজেলা প্রতিনিধি ইকবাল হোসেন স্বপনের বসত বাড়ি সংলগ্ন ফিসারির পাড়ে মিললো মেছো বাঘের ৫টি ছানা। ধারণা করা হচ্ছে মঙ্গলবার রাতেই মা মেছোবাঘ সেখানে বাচ্চাগুলো জন্ম দেয়। মেছোবাঘের বাচ্চা দেখতে ১১ ডিসেম্বর বুধবার দুপুর থেকেই উৎসুক জনতা ভিড় জমান ওই মৎস্য খামারের পাড়ে।

মাত্র দু’দিন আগে উপজেলার দাসের বাজার ইউপির উত্তর লঘাটি গ্রামে হাঁস খেতে গিয়ে ধরা পড়েছিল একটি মেছোবাঘ। পরে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগ মেছোবাঘটি উদ্ধার করে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করে।

জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউপির রাঙাউটি গ্রামে সাংবাদিক ইকবাল হোসেন স্বপনের বসত বাড়ির পশ্চিম দিকে তার ব্যক্তিগত একটি মৎস্য খামার রয়েছে। ওই মৎস্য খামারের পারে ব্যাপক ঝোপঝাড় রয়েছে। বুধবার দুপুরে সাংবাদিক ইকবাল হোসেন স্বপনের গরু রাখাল গৃহপালিত গরু নিয়ে মৎস্য খামারের পশ্চিম পারের দিকে রওয়ানা হলে গরুগুলো হঠাৎ দাঁড়িয়ে যায় এবং পিছনে ফিরে আসে ও অস্বাভাবিক আচরণ করে। এসময় বিভিন্ন প্রজাতির পাখ-পাখালিও চিৎকার শুরু করায় সাংবাদিক ইকবাল হোসেন স্বপন ঘটনার কারণ খোঁজতে ঝোপঝাড়ের দিকে অগ্রসর হন। হঠাৎ ঝোপ থেকে মেছোবাঘটি লাপিয়ে উঠলে তিনি ভয়ে চিৎকার করেন। পরে ওই স্থানে গিয়ে ৫টি মেছোবাঘের ছানা দেখে তার চোঁখ চরকগাছ হওয়ার উপক্রম হয়।

সাংবাদিক ইকবাল হোসেন স্বপন জানান, প্রথমে তিনি বড় আকারের শিয়াল মনে করেছিলেন। বাচ্চাগুলো পাওয়ার পর নিশ্চিত হন এটি  মেছোবাঘ। তাকে দেখেই বাচ্চা ফেলে সে পাশ্ববর্তী ষাটমা ছড়ার পারের জঙ্গলে চলে যায়। বাচ্চাগুলোর এখনো চোঁখ ফুটেনি। তাই বনবিভাগে খবর দিলেও বাচ্চাগুলো নিতে দেননি। যেখানে ছিল সেখানেই রেখে দিয়েছেন। রাতে মা মেছোবাঘ ঠিকই তার বাচ্চাগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাবে।

বড়লেখা বনবিভাগের সহযোগী রেঞ্জ কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন দাস জানান, এ বাচ্চাগুলো উদ্ধার করে বনাঞ্চলে অবমুক্ত করলে মারা যাওয়ার আশংকাই বেশি। তাই যেখানে পাওয়া গেছে সেখানে রেখে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।#

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *