- ব্রেকিং নিউজ, রাজনগর, রাজনীতি, স্লাইডার

রাজনগরে আ’লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ৫ এলাকায় উত্তেজনা

এইবেলা, রাজনগর, ১৬ জানুয়ারি ::

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছে। ১৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরজান আহমদের ‘ফরজান ফার্নিচার ও দুটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়। রাজনগর থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনগর উপজেলায় সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ নিয়ে গত কয়েকদিন থেকে আওয়ামী লীগের লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা চলছিলো। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটি ও উপজেলা সমন্বয় সভা ছিল। এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিলন বখত ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান খান সভায় যোগদান করলে তাদের লোকজনও পরিষদে অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ এসে লোকজনদের পরিষদের বাইরে চলে যেতে বলে। এদিকে সভা শেষে বিকালের দিকে উপজেলা চেয়ারম্যানের লোকজন তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। সভা শেষে ও সহকারি কমিশিনারের (ভূমি) কার্যালয়ে একটি স্বাক্ষ্য দিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিলন বখত বের হয়ে আসেন।

এসময় উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সমনে অবস্থান নেয়া লোকজন ও সাধারণ সম্পাদকের লোকজনের মধ্যে উস্কানিমূলক কথাবর্তার জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় মনসুরনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ফরজান আহমদের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ‘ফরজান ফার্নিচার’ ও দুটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় শরিফ (২৫) ও রাসেল (৪০) নামক দু’জনসহ ৫জন আহত হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সধারণ সম্পাদক মনসুরনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিলন বখত বলেন, পরিষদের মিটিং ও এসিল্যান্ডের কার্যালয়ে স্বাক্ষ্য দিয়ে আমি ও ফতেহপুরের চেয়ারম্যান বের হয়ে আসি। আমি গাড়িতে করে চলে আসার পর চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে লোকজন বেরিয়ে এসে হামলা চালিয়ে একটি দোকান ও দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।

রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান খান বলেন, সকাল থেকেই পরিষদের অতিরিক্ত লোকজন ছিল। পুলিশ সবাইকে সরিয়ে দেয়। বিকালে আমার কার্যালয়ে লোকজন ছিলেন। মিলন বখত সাহেবের লোকজন একটি ফার্নিচার দোকান থেকে বের হয়ে আমার কার্যালয়ের সামনে থাকা লোকজনদের ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় আমার দু’জন লোক আহত হয়। মামলা দেয়ার জন্য তারা হয়তো দোকান ভেঙ্গে আমার লোকজনের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।

রাজনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসেম জানান, আওয়ামী লীগের উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রযেছে। মোটরসাইকেল ও দোকন ভাংচুরের ব্যাপারে কোন অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *