সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৫
Home » জাতীয় » কুলাউড়া শেখ হাসিনার জন্মদিন অনুষ্ঠানে হামলা, নিহত ১

কুলাউড়া শেখ হাসিনার জন্মদিন অনুষ্ঠানে হামলা, নিহত ১

এইবেলা, সিলেট, ৩০ সেপ্টেম্বর::  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে হামলায় আহত ১৫ নিহত ১ জন। ঘটনার খবর থেকেই থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে উপজেলা শহরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

এ ব্যাপারে রফিকুল ইসলাম রেনু, এই বেলা কে জানান,গত ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা 8টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলের সভানেত্রী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছিলো উপজেলা আওয়ামী লীগ। এতে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে শতাধিক নেতা কর্মী উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানে শেষ কালীন সময়ে ছাত্রদল নেতা সিপার আহমদ এর নেতৃত্বে,মো, শেফুল আহমদ, মো.সাহাব উদ্দিন, মোহাম্মদ বাপ্পি, সিরাজ উদ্দিন, অজয় দেব, সেবু আহমদ, সুজন মিয়া, বেলাল আহমদ, জামাল আহমদ, সাইফুল ইসলাম, আপ্তাব মিয়া সহ ১৫-২০ জন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জোরপূর্বক প্রবেশ করে দলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রেনু সহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের উপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়।

এসময় তাদের হামলায় রফিকুল ইসলাম রেনু, কার্যালয়ের দারোয়ান সিকান্দরসহ প্রায় ১৫ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আহত হন। অাহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে অফিসের গার্ড সিকান্দার আলী মারা য়ায। এই হামলায় রফিকুল ইসলাম রেনু মিয়া বাদি হয়ে ২৯ সেপ্টেম্বর কুলাউড়া উপজেলার মৃত তোতা মিয়ার বড় ছেলে কুলাউড়া মাছরাঙা রেষ্টুরেন্ট এর স্বত্বাধিকারী সিপার আহমাদ কে প্রধান আসামী করে উল্লেখ্য করে ১২ জন বিএন পি অঙ্গ সংঘটনের নেতা কর্মী নামে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনার সত্যতা জানার জন্য ব্যবসায়ী সিপার আহমদ এর সেল ফোনে থাকে না পেয়ে, তার মা সবজান বেগম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কান্না জড়িত কন্টে বলেন। এই হামলা ও মার্ডার এর ব্যাপারে তার ছেলেরা জড়িত নেই। তাদের কে ফাঁসানোর জন্য এই চক্রান্ত করা হচ্ছে।তিনি বলেন গত ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্দু শেখ মুজিবুর রহমান এর শোক সভা সমাবেশে তার রেষ্টুরেন্ট থেকে ১৫০০ পেকেট বিরিয়ানী আনা হয়। অবশিষ্ট প্রায় ১ লক্ষ টাকার জন্য ২ সেপ্টেম্বর উনার অফিসে যায়। রফিকুল ইসলাম রেনু মিয়া টাকা না দিয়ে বিরিয়ানীর বিভিন্ন সমস্যা উল্লেখ করে শারিরীক ও মানষিক ভাবে ভয় ভীতি দেখিয়ে অফিস থেকে বের করে দেয়। টাকার জন্য অন্য পথ অবলম্বন করাতে ১০ সেপ্টেম্বর রাএে তার রেষ্টুরেন্ট সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে ভাংচুর করে দেশীয়ও অশ্রধারা শারীরিক ভাবে জখম করে নির্যাতন করে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায়। হাসপাতালে ডাক্তারের ট্রিটমেন্ট নিয়ে সে গত কাল রাত্রে বাসায় বিশ্রামে ছিল। তার ছোট ছেলে ব্যাবসা প্রতিষ্টানে কর্মরত অবস্তায় ছিল। এ জঘন্য ঘটনার সাথে তার ছেলেরা কোন ভাবে জড়িত নয়। তার দুই ছেলের উপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

ব্যাবসায়ী সূত্রে ও স্হানীয় জনগনের মাধ্যমে জানা যায়। নিজেদের আদিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দুটি গ্রুপে হামলায় এই জগন্য ঘটনার জন্ম নেয়।এ ঘটনায় কুলাউড়ার সাধারন জনগন তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করে। ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি বদরুজ্জামান সজল বলেন পূর্ব শত্রুতার জের টেনে,ব্যাবাসায়ী সিপার আহমদ ও নেতা কর্মীদের উপর থেকে মিথ্যা ষরযন্ত মূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। এবং ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের কে আইনের আওতায় আনার জন্য আইন সৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ জানান।।