- জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, সুনামগঞ্জ, স্লাইডার

‘যে ভিটাতে জন্ম, সে ভিটাতেই দাহ!

হাবিব সরোয়ার আজাদ, সুনামগঞ্জ, ০৮ ফেব্রুয়ারি ::  সুনাগঞ্জের দিরাইয়ে আনোয়ারপুরের পৈতৃক ভিটায় সুরঞ্জিত সেনের শেষকৃত্যানুষ্ঠান সোমবার সন্ধা ৬ টা ৫০ মিনিটে তার একমাত্র সন্তান সৌমেন সেনগুপ্ত মুখাগ্নির মধ্য দিয়ে সম্পন্ন করলেন। যোগ দিতে এবং প্রিয় নেতাকে শেষবারের মত একনজর দেখতে রোববার সকাল থেকেই জেলা, উপজেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে দলীয় নেতা কর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী,মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সমাজ সহ সর্বস্তরের কয়েক হাজার লোকজন সমবেত হয়েছিলেন আনোয়ারপুরের বাসায়।

রোববার সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দিরাই-শাল্লার প্রতিটি শিক্ষা ,ব্যবসা -বাণিজ্য ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলোতে কালোপতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে সেনগুপ্তের প্রতি শোক  ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করছেন।

দিরাই-শাল্লার আবাল বৃদ্ধ বণিতারা সোমবার সকাল থেকেই কালোব্যাজ পরিধারন করে শেষকৃত্যানুষ্ঠানে যোগ দিতে সমবেত হচ্ছেন আনোয়পুরের বাসার সামনে। এদিকে পিতা-মাতার শেষকৃত্যানুষ্ঠানের পাশেই সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের শেষ ইচ্ছানুযায়ী ‘যে ভিটাতে জন্ম, সে ভিটাতেই তাকে দাহ করা হয়।

পারিবারীক সুত্র জানায়, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত দিরাইয়ের পৈতৃক ভিটা আনোয়ারপুরে বাসায় নীজ হাতে দু’টি লাল চন্দন গাছ লাগিয়েছিলেন। স্ত্রী জয়া সেনগুপ্ত ও পরিবারের লোকজনকে নিজের শেষ ইচ্ছের কথা জানাতে গিয়ে বলেছিলেন, আমার মৃত্যুর পর দিরাইয়ের আনোয়পুরের বাসায় আমার পিতা- ও মাতার শেষকৃত্যানুষ্ঠােেনর পাশেই যেন আমাকে দাহ করা হয়’।

এছাড়াও তিনি বলেগিয়েছিলেন নীজ হাতে লাগানো দুটি লাল চন্দন কাঠের লাকড়ি দিয়েই যেন তাকে দাহ করা হয়। প্রায় ১৫ বছর পুর্বে নিজ হাতেই আনোয়ারপুরের বাসায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত পরিবারের লোকজন, সহপাঠি ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়েই সেই লাল চন্দনের গাছ দু’টি রোপন করেছিলেন। ##

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *