কুলাউড়ার দরিদ্র অয়ন : সুযোগ পেয়েও মেডিকেলে ভর্তিতে অনিশ্চিয়তা কুলাউড়ার দরিদ্র অয়ন : সুযোগ পেয়েও মেডিকেলে ভর্তিতে অনিশ্চিয়তা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে করোনাকালীন সংকটে স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান অবস্থা নিয়ে মতবিনিময় শীতের আগমনী বার্তায় আত্রাইয়ে খেজুর রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা কুলাউড়া পৌরসভার আয়োজনে সম্প্রীতি শোভাযাত্রা মৌলভীবাজার জাতীয় পার্টির দুই নেতা বহিষ্কার কমলগঞ্জে চা জনগোষ্ঠি প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন ‘বীর নিবাস’ এর গুণগতমান বজায় রাখুন-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বড়লেখায় দুই রিয়াজের হাতে উপজেলা জাতীয় পার্টি দায়িত্ব সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে কমলগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ মানববন্ধন ও স্মারকলিপি শান্তি  বড়লেখায় প্রাক্তন শিক্ষক খুন : ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল

কুলাউড়ার দরিদ্র অয়ন : সুযোগ পেয়েও মেডিকেলে ভর্তিতে অনিশ্চিয়তা

  • বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৭৭ বার পড়া হয়েছে

এইবেলা,  কুলাউড়া ::

কুলাউড়া উপজেলার বাসিন্দা দরিদ্র অদম্য মেধাবী অয়ন কুমার দে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছে। দারিদ্রতার কারণে মেডিকেলে ভর্তি হওয়া আর পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। সে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় এমবিবিএসে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছে।

স্কুলের বারান্দায় পা রাখার ছয়মাস আগে হারান প্রাণঘাতী ব্রেন টিউমারের কাছে হার মানেন অয়নের বাবা নিধু রঞ্জন দে। বাবার স্বপ্ন ছেলে ডাক্তার হবে। মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ বাবার স্বপ্ন পূরণে প্রথম ধাপ অতিক্রম করলেন অয়ন। কিন্তু মেডিকেল কলেজে ভর্তি ও লেখাপড়া চালিয়ে ডাক্তার হওয়া নিয়ে জেগেছে শঙ্কা। এতো খরচ চালাবেন কিভাবে তা নিয়ে রয়েছেন দু:শ্চিন্তায়।

অয়নের মা কুলাউড়ার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুরের গৃহিণী অনিমা রাণী দে। বাবার অবর্তমানে দুই ছেলেকে নিয়ে ২০০৫ সাল থেকে সংগ্রাম করে পরিবার চালাচ্ছেন। স্বামীর স্বপ্ন পূরণে তিনি সন্তানদের লেখাপড়ায় অনুপ্রেরণা যুগিয়ে যাচ্ছেন। তাই অয়নের সাফল্যে সবচেয়ে খুশি মা অনিমা দে।

অয়ন জানান, বাবার স্বপ্ন আর মায়ের অনুপ্রেরণা আজকের এই সাফল্য। বাবা বেঁচে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন। অয়ন লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ ফাইভ এবং আলী আমজদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে এসএসসিতে জিপিএ ফাইভ পান। এছাড়া ৫ম ও ৮ম শ্রেণীতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেন। ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জানার পর প্রস্তুতি হিসেবে প্রতিদিন ১০ ঘন্টা করে পড়ালেখা করতেন। ছোটবেলা থেকে ডাক্তার হওয়ার লক্ষ্যেই পড়াশোনা করেছি মায়ের অনুপ্রেরণা নিয়ে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews