তালিকায় নাম থাকলেও হামাক চেয়ারম্যান চাল দেয় না – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওসমানীনগরে অবৈধ ৫ সিএনজি স্ট্যান্ডের জন্য যানজট লেগেই থাকে কমলগঞ্জে গাছ চুরির অভিযোগে যুবককে হত্যার অভিযোগ ওসমানীনগরে সালিশে বৈঠকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত : ৬জন আটক আত্রাইয়ে স্ত্রী-সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা ১৯শত কোটি টাকার বিদ্যুৎ প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ সৌদি আরবের সড়কে প্রাণ গেলো কুলাউড়ার যুবকের কুড়িগ্রামে মাছের উচ্ছিষ্ট আঁশ বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে সুনামগঞ্জ–৫ এলাকাকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত করতে চান- কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন এমপি মৌলভীবাজার- কুলাউড়া মহাসড়কে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় ১ জন নিহত ওসমানীনগরে নকশী বাংলা’র রামাদান ফুডপ্যাক বিতরণ

তালিকায় নাম থাকলেও হামাক চেয়ারম্যান চাল দেয় না

  • বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১

Manual7 Ad Code


Check fine
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ভিজিডি উপকারভোগীর তালিকায় নাম থাকলেও চাল না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে থানাহাট ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মিলনের বিরুদ্ধে। এঘটনায় ভূক্তভোগী দুই নারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। মানবেতর জীবন যাপন পার করছে পরিবার দুটি।

Manual4 Ad Code

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের ছোটকুষ্টারী গ্রামের ফরিদুল ইসলামের স্ত্রী মহেছিনা বেগম উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানতে পায়, ২০২১-২০২২ সালের ভিজিডি কার্যক্রমের মূল তালিকায় তার নাম অন্তভূক্ত হয়। যার নং ৫০২। তালিকায় নাম থাকলেও ৫মাস থেকে চাল পাননি তিনি। চেয়ারম্যানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও চাল কিংবা কার্ড দেয়নি চেয়ারম্যান।
ভুক্তভোগী মহেছিনা বেগম বলেন, হামাক সরকার ভিজিডি কার্ড দিছে কিন্তু হামাক মিলন চেয়ারম্যান কার্ড দেয় না, চালও পাইনে। কয়েক বছর থেকে আমার স্বামী অসুখ কামাই করবার পায় না। তাই পরিবারের লোক জন নিয়ে খুব কষ্টে জীবন যাপন করছি। তাই সরকারের কাছে আকুল আবেদন করছি কার্ড ও চাল দেয়ার জন্য।এদিকে একই অভিযোগ করেছেন ওই এলাকার দুলু মিয়ার স্ত্রী রুবি বেগম। তালিকায় ১৬৭ নম্বরে তার নাম থাকলেও চাল কিংবা কার্ড পাননি তিনিও। ভূক্তভোগী ওই নারী চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করলে তারও কার্ডটি হারিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে চেয়ারম্যান।
এ বিষয়ে থানাহাট ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মিলনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আর্থিক লেনদেনের কারণে কার্ড দুটি আটক রাখা হয়েছিল, এখন তাদের কার্ড দুটি হস্তান্তর করা হবে। কি আর্থিক লেনদেনে কার্ড আটক রাখা হয়েছিল? প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেনি চেয়ারম্যান।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছাঃ সখিনা খাতুন বলেন, ওই কার্ড দুটি ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে আছে, ভুক্তভোগীদের আবেদন পাওয়া সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান,অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!