আত্রাইয়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ অনিশ্চিত আত্রাইয়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ অনিশ্চিত – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় সাংবাদিকদের সাথে প্রশাসনের মতবিনিময়, বন্যার্তদের ত্রাণের কোন সংকট নেই কুলাউড়ায় বন্যার্তদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়া প্রতিটি ঘরে ঘরে স্পর্শ করেছে..এমপি হেলাল দুর্যোগেও পুলিশ মানুষের পাশে থাকবে -ডিআইজি মফিজ উদ্দিন পিপিএম নাগেশ্বরীর কালিগঞ্জ এইচ এ উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ আত্রাইয়ে ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে দরিদ্র জারিয়া বেগমের ভাগ্যে আজও কোন ভাতা জুটেনি কমলগঞ্জে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব শুরু বড়লেখায় সীমাহীন দুর্ভোগে বানভাসিরা-ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত কুলাউড়াসহ হাকালুকি তীরের ৩ উপজেলাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করুন- এমএম শাহীন

আত্রাইয়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ অনিশ্চিত

  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২০

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই ::

নওগাঁর আত্রাইয়ে মাঠে মাঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে কৃষকদের মাঝে দেখা দিয়েছে উদ্বিগনতা। উপজেলার প্রতিটি এলাকার কৃষকদের আমন ধানের বীজতলা পানির নিচে ডুবে যাওয়ায় তারা আমনের চারা উৎপাদন করতে পারছে না।

জানা যায়, উপজেলার শাহাগোলা, কাশিমপুর, ভোঁপাড়া, জামগ্রাম, মনিয়ারী, নওদুলী, পালশা, চৌথলসহ পূর্ব এলাকার মাঠগুলো আমন চাষের জন্য বিখ্যাত। এসব এলাকার কৃষকরা বোরো ধান ঘরে তোলার পর পরই আমনের বীজতলা তৈরীতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এলাকা জুড়ে চিনি আতপ, জিরাসাইল, পাইজামসহ বিভিন্ন জাতের আমন ধানের আবাদ করে থাকে। কিন্তু এবারে বোরো ধান কাটা শেষ হতে না হতেই অতি বর্ষণ এবং নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে প্রতিটি মাঠে বন্যার পানি ঢুকে মাঠে জলাদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে আমন ধানের চাষ নিয়ে কৃষকরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানা যায়, উপজেলার ৮ ইউনিয়নে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়। এর মধ্যে মনিয়ারী, ভোঁপাড়া ও শাহাগোলা ইউনিয়নে সর্বাধিক পরিমাণ জমিতে আমন চাষ করা হয়। গত বছর আমন চাষের মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ জমিতে চিনি আতপ ধানের চাষ হয়েছিল। এতে করে কৃষকরা ব্যাপক লাভবানও হয়েছিল। এবারে আগাম বন্যার পানি মাঠে চলে আসায় আমনচাষ ব্যহত হতে পারে।

উপজেলার উঁচলকাশিমপুর গ্রামের বেলাল হোসেন বলেন, আমাদের বোরো ধান কেটে শেষ না করতেই মাঠে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। মাঠ পানিতে ভরে গেছে, আমন ধানের আবাদ এবারে করা সম্ভব হবে না।

চৌথল গ্রামের কৃষক আলতাফ হোসেন বলেন, আমাদের এলাকার জমিগুলোতে যেমন বোরো চাষ হয়। তেমনি আমন ধানে চাষও ব্যাপক হয়ে থাকে। গতবার আমরা প্রচুর পরিমানে চিনি আতপ ধানের চাষ করেছিলাম। তাতে ফলনও হয়েছিল ভাল। কিন্তু এবারে বীজতলা তৈরি করতেই পারলাম না। কিভাবে আমন চাষ করবো তা নিয়ে হতাশায় রয়েছি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, হঠাৎ করে অতি বর্ষণের ফলে মাঠে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নদীর পানি কিছুটা কমলে মাঠের পানিও কমে যাবে। আমরা আশা করছি মাঠে পানি নেমে গেলে কৃষকরা পুরোদমে আমনচাষ করতে পারবে। যেহেতু আমন চাষের মৌসুম এখনো শুরু হয়নি। #

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews