কুলাউড়ায় পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ গ্রাহক কুলাউড়ায় পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ গ্রাহক – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রতিবেশ প্রকল্পের উপকারভোগীদের মধ্যে হাঁস বিতরণ কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ‘‘জাঁত’ কমলগঞ্জে পতিত জমি চাষের আওতায় আসছে মাধবপুরে ধান কাটার মেশিনের নিচে চাপা পড়ে এক শিশু নিহত কমলগঞ্জ শমশেরনগরে ইয়াবাসহ ১ জন আটক বড়লেখায় সূচনার অপুষ্টি প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বিত কর্মসূচির অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সমাপনি সভা কুলাউড়া পৌরসভার আয়োজনে ১৩ ডিসেম্বর থেকে ৫দিনে বিজয় মেলা নভেম্বর মাসে ৪৬৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৫৪ জন : মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৪১ শতাংশ শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে যুক্তরাজ্যের কাউন্সিলর শাহা‌নিয়া চৌধুরী জে‌রিনকে সংর্বধনা কুলাউড়ায় সম্বল হারানো হতদরিদ্র সুলেহার কান্না থামছে না
ভর্তি বিজ্ঞপ্তী

কুলাউড়া উপজেলা ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৩ শিক্ষা বর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তী। ভর্তি জন্য বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে অফিস থেকে ফরম সংগ্রহ ও বিস্তারিত জানার অনুরোধ করা হইলো। প্রধান শিক্ষক

কুলাউড়ায় পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ গ্রাহক

  • মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০

এইবেলা ডেক্স, কুলাউড়া ::

কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং যন্ত্রনায় অতিষ্ঠি ৭নং ওয়ার্ডের চার’টি এলাকার পাঁচ শতাধিক গ্রাহক। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকতে হয় তাদেরকে। বিষয়টি বার বার জুড়ী অভিযোগ কেন্দ্রে জানানোর পরও কার্যত কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা তারা। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের এমন খামখেয়ালীপনায় ক্ষুভে ফুঁসে উঠেছেন ওই এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

সরেজমিন মেরিনা চা-বাগান এলাকায় গেলে দেখা যায়, শতাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহক মেরিনা চা-বাগান ব্যবস্থাপক কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়েছেন। পল্লী বিদ্যুতের বড়লেখা বিতরণ কেন্দ্রে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। তাদেরকে নেতৃত্বদানকারী বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি খোকা নায়েক সাংবাদিকদের জানান, আমাদের এই বাগান এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের ২০৯ জন গ্রাহক রয়েছেন। বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে গুরুত্ব দিচ্ছেনা। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকেনা। জুড়ী অভিযোগ কেন্দ্রে বার বার ফোন দিলেও তারা রিসিভ করেনা। বিষয়টি জানাতে বড়লেখা অফিসের ডিজিএমকে ফোন দিলে তিনি গ্রাহকের কথা না শুনে জুড়ী অভিযোগ কেন্দ্রে ফোন দেয়ার কথা বলেই লাইন কেটে দেন। এ নিয়ে গ্রাহকরা দারুণ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা হাবিজ মিয়া, বাগান শ্রমিক মন্টু ঘোষ, দুলাল মিয়া, রমজান আলী, জাহানারা বেগম, পঞ্চায়েত নারী নেত্রী জোসনা বেগমসহ অনেকেই ক্ষোভের সাথে বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ এখন আমাদের গলার কাঁটা। লোডশেডিং যন্ত্রনায় আমরা অতিষ্ট। ২৪ ঘন্টার মাঝে ৫-৬ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে। তাও গভীর রাতে। ঘরের কাজ-কর্মসহ শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়ায় বিঘ্নতা ঘটছে। এছাড়াও প্রতি মাসে অতিরিক্ত বিল আসে। যা পরিশোধ করতে শ্রমিকদের রিতীমতো হীমশীম খেতে হয়।

জয়চন্ডী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য মো. মনু মিয়া জানান, এই ওয়ার্ডে পল্লী বিদ্যুতের পাঁচ শতাধিক গ্রাহক রয়েছেন। বর্তমানে টানা লোডশেডিং যন্ত্রনায় আজ অতিষ্ঠ তারা। যে কোন দূর্ঘটনায়ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করলে তাদেরকে পাওয়া যায়না। মনে হয় পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের সাথে মশকারা করছে।

মেরিনা বাগান ব্যবস্থাপক রবিউল হাসান জানান, আমাদের ফেক্টরি ছাড়া বাকি স্টাফ এবং লেবার কোয়ার্টারে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ রয়েছে। কিন্তু ২৪ ঘন্টার অধিকাংশ সময়ই বিদ্যুৎ থাকেনা। গ্রাহকদের এই দুর অবস্থার কথা আমি নিজেও ডিজিএমকে জানিয়েছি। কিন্তু আজঅবদি কোন সুরাহা হয়নি, যা অত্যান্তই দুঃখজন।

পল্লী বিদ্যুৎ বড়লেখা অফিসের ডিজিএম ইমাজ উদ্দিন সরদার জানান, বিষয়টি জেনেছি। প্রত্যন্ত পাহাড়ী অঞ্চলে একটি বিশাল গাছ ৩৩ হাজার কেভি লাইনের উপর পড়ে গিয়ে লাইন ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় বিদ্যুৎ সঞ্চালনে ব্যাঘাত হয়েছে। আমরা দ্রুতই সেটা সংস্কার করে বিদ্যুৎ সঞ্চালন স্বাভাবিক করতে কাজ করছি।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
সুরমা ব্রিকস্, ঢুলিপাড়া (মৈশাজুরী) কুলাউড়া, মৌলভীবাজার।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews