কমলগঞ্জে ৬ শতাধিক সোনালী মোরগের মৃত্যু কমলগঞ্জে ৬ শতাধিক সোনালী মোরগের মৃত্যু – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখা জামেয়া দাখিল মাদ্রাসার নির্মাণাধীন ভবনের নিচ ভরাটে বালুর পরিবর্তে মাটি মৌলভীবাজার পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কাউকে বাদ দিয়ে নয় জোটের বিভাগীয় সমন্বয় কমিটি গঠন বড়লেখায় নবীন এগ্রো ফুডের ব্রাঞ্চ অফিস উদ্বোধন ও বর্ষপূর্তিতে দোয়া ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার আহবান কমরেড মেননের আত্রাইয়ে শেখ রাসেল কম্পিউটার ল্যাবের ১৩টি ল্যাপটপ চুরি কমলগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে বিদ্যা দেবীর আরাধনা নিয়োগ বাণিজ্য কমলগঞ্জে শিক্ষক নিয়োগের ফলাফর ৩ মাসেও প্রকাশ হয়নি কুলাউড়া প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের কম্বল বিতরণ করেন প্রটোকল অফিসার রাজু ভাতিজির বাল্য বিবাহে বাঁধা দেওয়ায় কাল হলো চাচার পরিবারের 

কমলগঞ্জে ৬ শতাধিক সোনালী মোরগের মৃত্যু

  • বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

এইবেলা, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ::

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষারে একটি পোল্ট্রি খামারে অসুস্থ্য হয়ে সাড়ে ৬ শতাধিক সোনালী মোরগের মৃত্যু হয়েছে। এতে খামারি প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। টিলাগড় গ্রামের কাইয়ুম হোসেনের খামারে গামবোরো রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনদিনে গড়ে এক কেজি দু’শ গ্রাম ওজনের এসব মোরগের মৃত্যু হয়।

টিলাগড় গ্রামের সোনালী পোল্ট্রি খামারের মালিক কাইয়ুম হোসেন জানন, গত দু’বছর ধরে নিজ বাড়িতে খামারি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত আড়াইমাস আগে খামারে এক হাজার সোনালী জাতের মোরগের বাচ্চা উত্তোলন করেন। বাচ্চাগুলোর লালন-পালন, ভ্যাকসিন ও ফিডসহ প্রয়োজনীয় খাবারও প্রদান করেন। প্রতিটি বাচ্চা এক কেজি থেকে এক কেজি দু’শ গ্রাম ওজনের হয়। ঠিক বিক্রির উপযুক্ত সময়ে রোগে আক্রান্ত হয়। এসময়ে স্থানীয় প্রাণী চিকিৎসক ও ঔষধ কোম্পানীর চিকিৎসকদের মাধ্যমে জানতে পারেন মোরগের গামবোরো রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তিনি তাদের পরামর্শ মোতাবেক এসব বিষয়ে ঔষধপত্র খাওয়ানোর পরও রক্ষা করতে পারেননি। সুস্থ অবস্থায় সাড়ে ৩শ” মোরগ বিক্রি করতে পারলেও অবশিষ্ট সাড়ে ৬শ’ মোরগ খামারেই মারা যায়। কাইয়ুম হোসেন বলেন, প্রায় ৭৫ দিন বয়স হওয়ার পর এতোসব মোরগ মারা যাওয়ায় প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। একজন ডিলারের কাছ থেকে কিছু বাকিতে খাবার ও ঔষধ এনে ব্যবহার করলেও এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠা কঠিন বলে তিনি দাবি করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. হেদায়েত আলী বলেন, উপজেলার সবগুলো খামারে তাদের দেখাশুনা রয়েছে। তবে টিলাগড় গ্রামের কাইয়ুম হোসেনের খামারে সাড়ে ৬শ’ মোরগ মারা যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না। খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান। #####

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews