1. admin@eibela.net : admin :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন

কুলাউড়ার জয়চন্ডীতে আবারও গরু চোরদের হানা : থানায় অভিযোগ

  • রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

এইবেলা ডেক্স, কুলাউড়া ::

কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নে গরু চোরদের দৌরাত্ম যেন থামছেইনা। কয়দিন পর পর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গরু চোরেরা হানা দিচ্ছে। অনেক অসহায় দিনমজুর কৃষক গৃহপালিত পশু হারিয়ে নির্বাক। এ পর্যন্ত চুরি হওয়া কোন গরু উদ্ধার করা সম্ভব না হওয়ায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে। এনিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা আরব আলী কুলাউড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২ অক্টোবর শুক্রবার দুপুরে জয়চন্ডী ইউনিয়নের গিয়াসনগর এলাকার (বিজয়াবাজার সংলগ্ন) বাসিন্দা আরব আলীর একটি ষাঁড় গরু বিজয়া বাগানের ২নং সেকশন থেকে নিয়ে যাচ্ছিলো স্থানীয় চোর চক্রের কয়েকজন। এসময় বাগানের সেকশন পাহারাদাররা বিষয়টি দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করে চোরদের ধাওয়া করেন। তখন চোরেরা গরু ফেলে পালিয়ে যায়। কিন্তু সেকশন পাহারাদাররা চোরদের মধ্যে ২ জনকে ছিনতে পেরেছেন। তারা দুজনের বাড়ি বিজয়া বাগান ও গিয়াসনগর এলাকায়।

আরব আলী বলেন, জয়চন্ডী ইউনিয়নের চোর চক্র এতই শক্তিশালী, আগে তারা রাতে চুরি করতো এখন দিনে দুপুরে চুরি করছে। বাগানের সেকশন পাহারাদাররা যে দুজনকে চিনেছে তারা হলো- বিজয়া বাগানের মৃত বাজিদ আলীর ছেলে মাসুক মিয়া (২৮) এবং উত্তর গিয়াসনগর এলাকার বাসিন্দা ইরশেদ আলীর ছেলে রহমান আলী (৩০)। আমি এই দুজনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিজয়াবাগানের শ্রমিক ভর্তা পাশির একমাত্র সম্বল বলদটি বাগানের পাশেই চরানো থেকে নিয়ে যায় চোরেরা। অনেক খোঁজাখুজি করে আজও গরুটির কোন সন্ধান পাননি তিনি। ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে উত্তর গিয়াসনগর এলাকার মন্নান মিয়ার একটি গাভি (ডেকি) নিয়ে যায় চোর চক্র। সখের গাভিটি হারিয়ে একেবারে নির্বাক অসহায় মন্নান মিয়া। ১ অক্টোবর সন্ধ্যা রাত ৮ টার জয়চন্ডী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম হাজী আবদুল মতলিবের তিনটি গরু গোয়ালঘর থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় চোর চক্র।

মরহুম হাজী আবদুল মতলিবের ছেলে সাহেদ আহমদ বলেন, সন্ধ্যায় তারা বিজয়া বাজারে থাকার কারনে বাড়িতে কোন পুরুষ ছিলেন না। তিনি সাড়ে ৮ দিকে বাড়িতে গিয়ে গোয়াল ঘরে গরু না দেখে চিৎকার শুরু করেন। এসময় চারিদিক থেকে লোকজন বেরিয়ে আসলে পশ্চিমের হাওরে গরুগুলো ফেলে পালিয়ে যায় চোরেরা। ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রহমান মাতাব বলেন, ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তাদের এলাকায় গরু চোরেরা হানা দেয়। টের পেয়ে এলাকার লোকজন বেরিয়ে আসলে গরু ছেড়ে পালিয়ে যায় চোরেরা। এভাবে প্রতিদিনই ইউনিয়নের কোন না কোন এলাকায় শোনা যায় গরু চুরির খবর। নিরুপায় হয়ে ইউনিয়নের অনেক লোকজন গৃহপালিত পশু পালন করা ছেড়ে দিয়েছেন।

এদিকে অভিযোগ পেয়ে রোববার বিকেলে সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কুলাউড়া থানার এসআই মাসুদ আলম। তিনি বলেন, সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলাম। ভুক্তভোগী ও স্বাক্ষীসহ স্থানীয় বিভিন্ন লোকজনের কথা শুনলাম। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews