1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

কমলগঞ্জে সাবরেজিস্ট্রার না থাকায় ভোগান্তিতে জমি ক্রেতা বিক্রেতারা

  • মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

এইবেলা, কমলগঞ্জ ::

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় প্রায় ১মাস ধরে বন্ধ ছিলো জমি রেজিস্ট্রি কার্যক্রম। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত ভূমি ক্রেতা ও বিক্রেতারা। ভূমি ক্রেতা ও বিক্রেতাদের লাগামহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। জমি ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভোগান্তির পাশাপাশি সরকারও হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। এছাড়া এ অফিসের সঙ্গে জড়িত প্রায় অর্ধ-শতাধিক দলিল লেখক বেকার সময় পার করছেন।

জানা যায়, কমলগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদির চলিত বছরের অক্টোবর মাসে এখান থেকে বদলি হওয়ার পর আর কোনো সাব-রেজিস্ট্রার এখানে পদায়ন করা হয়নি। রেজিস্ট্রি না হওয়ায় এ উপজেলার শত শত জমি ক্রেতা-বিক্রেতা ও জরুরি কাজে দলিল উত্তোলনকারীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।

এদিকে গত ৫ নভেম্বর জুড়ি উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রর মঞ্জুরুল আমিনকে কমলগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। কমলগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রারের পদ শূণ্য থাকায় জুড়ি উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার মঞ্জুরুল আমিন সপ্তাহে দুই দিন অফিস করেন। গত ৫ নভেম্বর প্রথম কর্মদিবসে প্রায় দেড় শতাধিক ভূমি রেজিস্টেশন করেন তিনি। বৃহস্পতিবারের পর থেকে আবারো বন্ধ থাকে ভূমি রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রম। প্রায় ১০দিন পর গত রোববার তিনি অফিস করেন। এদিন সকাল ১০টা থেকে ভোক্তভোগী মানুষ অপেক্ষা করছেন সাব-রেজিস্ট্রারের জন্য। কিন্তু মঞ্জুরুল আমিনের মৌলভীবাজারে একটি জরুরি মিটিং থাকায় তিনি বিকাল সাড়ে ৩টায় এসে অফিস শুরু করেন। সকাল থেকে রাত অবধি মানুষ অপেক্ষা করছেন দলিল রেজিস্ট্রির আশায়।

আলাপকালে ভোক্তভোগী জালালিয়া গ্রামের মোঃ আহমদ আলী, কেচুলিটি গ্রামের আব্দুর রব, কাজিরগাঁও গ্রামের মালিক মিয়া, গোপীনগর গ্রামের মহরজান বিবি, ধর্মপুর গ্রামের মদন কর, গোপীনগর গ্রামের ময়ুর বেগম, শ্রীপুর গ্রামের সরলা বেগম, জানান, তারা সকাল থেকে জমি রেজিস্ট্রির জন্য অপেক্ষা করে সন্ধ্যায় কাজ সম্পন্ন করেন। ক্রেতা-বিক্রেতারা অবিলম্বে কমলগঞ্জে একজন সাব-রেজিস্ট্রার পদায়নের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ দলিল লিখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী মো: ইজ্জাদুর রহমান জানান, এ সমিতির ৪৭ জন দলিল লিখক কয়েকশত দলিল রেজিস্ট্রির অপেক্ষায় ছিল। আমাদের এখানে সার্বক্ষনিক সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় ভোক্তভোগী ক্রেতা বিক্রেতারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এখানে একজন সাব রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়া আবশ্যক হয়ে পড়েছে।

মৌলভীবাজার জেলা দলিল লিখক সমিতির সভাপতি আব্দুল মছব্বির জানান, কমলগঞ্জে ভূমি ক্রেতা বিক্রেতাদের ভোগান্তির মাত্রা দুর্বিসহ হয়ে পড়েছে । কমলগঞ্জে সার্বক্ষনিক সাব রেজিস্ট্রার না দিলে এ ভোগান্তি কমবে না। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান যাতে বর্তমানে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সাব রেজিস্টার মঞ্জুরুল আমিনকে কমলগঞ্জের সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া জন্য।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সাব-রেজিস্ট্রার মঞ্জুরুল আমিনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, কমলগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাব-রেজিস্ট্রার না থাকায় আমাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সপ্তাহে দুই দিন রোববার ও সোমবার কমলগঞ্জে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দায়িত্ব পালন করব। #

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews