স্কোয়াশের বাম্পার ফলন : কৃষক সাদিকের চোখে-মুখে তৃপ্তির হাসি! স্কোয়াশের বাম্পার ফলন : কৃষক সাদিকের চোখে-মুখে তৃপ্তির হাসি! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে জীবিত শিশুকে মৃত ঘোষণার অভিযোগ কুড়িগ্রাম ধরলা ব্রীজে চেকপোস্ট ও বিট পুলিশিং কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ৫ কেজি গাঁজা ও মোটরসাইকেলসহ আটক-২ ফুলবাড়ীতে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত আমেরিকার নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কস বোরো প্রেসিডেন্ট হলেন কুলাউড়ার জুয়েল কুলাউড়ায় ব্যাংক ম্যানেজারদের সাথে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কুড়িগ্রামের চিলমারীতে উপ নির্বাচনে যুবলীগ সভাপতি জামান বিজয়ী কুড়িগ্রামে মাদক বিরোধী অভিযানে আটক-১ কুলাউড়ার রবিরবাজারে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের উপ-শাখার উদ্বোধন কমলগঞ্জে আরডব্লিউডি ওয়াই মুভস প্রকল্পের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

স্কোয়াশের বাম্পার ফলন : কৃষক সাদিকের চোখে-মুখে তৃপ্তির হাসি!

  • মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

আবদুল আহাদ ::

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বিদেশি জাতীয় সবজি ‘স্কোয়াশ’ চাষ করে চমক দেখিয়েছেন সাদিক মিয়া নামক এক যুবক। নিজের ফলানো সবজি বিক্রি করে তিনি আজ অনেকটা স্বাবলম্বী। বিদেশি সবজি চাষে তার এই সফলতা দেখে গ্রামের অনেকেই এখন আগ্রহী হয়েছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের পশ্চিম খাদিমপাড়া গ্রামের সাদিক মিয়া প্রাইভেট একটি চাকুরি করেন। সেই চাকুরিতে তার নুন আনতে পান্তা ফুরায়। অভাব আর দেন-ধারে অনেকটা হতাশায় ভুগছিলেন তিনি। গত দু’মাস আগে স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে উপজেলায় এসে কৃষিকর্মকর্তাকে সবজি চাষের আগ্রহতা দেখান। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মোমিন তাকে নতুন জাতের বিদেশী সবজি স্কোয়াশ চাষ করার পরামর্শ দেন এবং সাধ্যনুযায়ী সহযোগীতা করার আশ্বস্থ করেন।

নতুন জাতের বিদেশী সবজি শুনে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেন সাদিক মিয়া। অনেকটা ধার-দেনা করে নিজের ৯০ শতক জমিতে শুরু করেন স্কোয়াশ চাষ। কৃষি অফিসের নিয়মানুসারে চাষ করায় মাত্র আড়াই মাসে স্কোয়াশের বাম্পার ফলন পেয়েছেন তিনি। আর এই বাম্পার ফলনে সাদিকের চোখে-মুখে এখন তৃপ্তির হাসি।

কৃষক সাদিক মিয়া বলেন, কুলাউড়া কৃষি অফিসের মাধ্যমে এই সবজির বিষয়ে জানতে পেরে আগ্রহী হয়ে উঠি। কৃষি কর্মকর্তার আন্তরিক সহযোগিতায় ৫০-৬০ হাজার টাকা খরছ করে ৯০ শতক জমিতে প্রায় আড়াই হাজার স্কোয়াশ চারা রোপন করি। প্রতিটি গাছেই -১২১০ টি পর্যন্ত ফল এসেছে এবং একেকটি স্কোয়াশের ওজন এক থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত হয়েছে। তাতে এই মৌসুমে স্কোয়াশগুলো বিক্রি করে আড়াই থেকে ৩ লক্ষ টাকা পাবো বলে আশা করছি। সাদিক মিয়া আরও বলেন, এই ফলটি খেতে খুব সু-স্বাধু। অনেকটা মিষ্টি কুমড়ার মতো। বর্তমানে এলাকার অনেকেই এসে এটি সম্পর্কে জেনে নিচ্ছেন এবং স্কোয়াশ চাষ করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

কুলাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোমিন জানান, স্কোয়াশ বিদেশি সবজি হলেও আমাদের দেশের বিভিন্ন এলাকায় এর চাষাবাদ এখন হচ্ছে। সাধারণত দোআঁশ মাটিতে এর ফলন ভালো হয়। স্কোয়াশ ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ এবং আয়রনসহ বিভিন্ন পুষ্টিগুণে ভরা একটি সবজি। কুলাউড়ায় পরীক্ষামূলক চাষে বেশ সফল হয়েছেন কৃষক সাদিক মিয়া। তাছাড়া এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করে খরছ বাদে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব হয়। অপরদিকে এক বিঘা জমিতে স্কোয়াশ চাষ করে সব খরছ বাদে লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews