বড়লেখায় জমে উঠেছে ঈদবাজার, শেষ মুহূর্তে বেচাকেনার ধুম বড়লেখায় জমে উঠেছে ঈদবাজার, শেষ মুহূর্তে বেচাকেনার ধুম – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে পূজা উদযাপন পরিষদের বৃক্ষরোপন কুড়িগ্রামে শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে স্থানীয় স্টেক হোল্ডারদের সাথে সংলাপ সুজানগর ইউপি : বন্যার্তদের ২০ লাখ টাকার খাদ্যসামগ্রী দিচ্ছেন প্রবাসীরা ইউপি চেয়ারম্যান উপ-নির্বাচন-বড়লেখায় প্রতীক পেয়েই প্রচারণায় প্রার্থীরা কুলাউড়ায় বন্যা কবলিত এলাকায় শিশু খাবার পানি বিশুদ্ধকরণ টেবলেট ও খাবার স্যালাইন বিতরণ কুলাউড়ায় আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর বরাদ্দের নামে অসহায় মহিলার ভিক্ষার টাকা আত্মসাত! ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যার হুমকি দাতা কুলাউড়ার সোহাগ গ্রেফতার! ওসমানীনগরে শতাধিক শিক্ষার্থী পেল স্কুল ড্রেস বার্সেলোনায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে বাংলার মেলা আয়োজক সংঠনের মতবিনিময় কুলাউড়া পৌরসভার ৬৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

বড়লেখায় জমে উঠেছে ঈদবাজার, শেষ মুহূর্তে বেচাকেনার ধুম

  • শনিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২২

এইবেলা, বড়লেখা::

বড়লেখায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের বাজার। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বেচাকেনার ধুম। পৌরশহরের বিপণি বিতাগুলোতে এখন ক্রেতাদের উপচে ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ক্রেতারা তাদের পছন্দের পোশাক কিনতে ছুটছেন এক দোকান থেকে অন্য দোকানে। তবে কাপড়ের দাম একটু বেশি হওয়ায় হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তবুও তারা সাধ্যের সঙ্গে মিল রেখে পরিবারের জন্য পোশাক কিনছেন। এদিকে শেষ সময়ে বেচাকেনা ভালো হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটেছে। কারণ গত দুই বছর করোনা ভাইরাসের কারণে বেচাকেনা বন্ধ ছিল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বড়লেখা পৌরশহরের বিপণি বিতাগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে মার্কেটগুলোতে আলোকসজ্জা করেছেন। তারা তাদের দোকানগুলোকে সাজিয়েছেন বিভিন্ন দেশী-বিদেশী পোশাকে। এসব দোকানগুলোতে রয়েছে শাড়ি, থ্রি-পিস, শার্ট, টি-শার্ট, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবিসহ ছোটদের নানান ধরনের পোশাক। ক্রেতারা তাদের পছন্দের পোশাক ও জুতা কিনছেন।

পরিবারের জন্য পোশাক কিনতে আসা ক্রেতা বুশরা আক্তার ও রোকসানা আক্তার বলেন, তারা দুই বোন মিলে পরিবারের জন্য কাপড় কিনতে পছন্দের পোশাক কিনেছেন। তবে দাম একটু বেশি মনে হয়েছে।
স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কাপড় কিনতে আসা ক্রেতা রুবেল আহমদ বলেন, তিনি স্ত্রী-সন্তানকে পোশাক কিনে দিয়েছেন। তিনিও নিজের জন্য পোশাক কিনবেন।

অটোরিকশা চালক জয়নাল উদ্দিন বলেন, জুতা-স্যান্ডেলের দাম মোটামুটি কম থাকলেও পোশাকের মূল্য বেশি। এর ফলে আমাদের মতো পরিবারের জন্য কষ্টদায়ক হচ্ছে। এক মেয়ের পোশাক কিনতে গিয়ে অন্য ছেলেমেয়েদের জন্য কিনতে সমস্যা হচ্ছে।

পৌরশহরের নূরজাহান শপিং সেন্টারের নিশাত জেন্টস এন্ড বেবি হাউসের সত্বাধিকারী মঞ্জুর আহমদ বলেন, গত দুই বছর করোনার কারণে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। বেচাকেনা মোটেও হয়নি। এবার ঈদে ক্রেতাদের পছন্দের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক তুলেছি। প্রতিদিন আশানুরূপ বিকিকিনি হচ্ছে। ঈদের আগেরদিন পর্যন্ত এভাবে বেচাকেনা চলবে। পোশাকের দাম নাগালের মধ্যে আছে।

একই মার্কেটের বোরকা গ্যালারী ও ওড়না হাউসের সত্বাধিকারী আলতাফ হোসেন বলেন, আমার এখানে বিভিন্ন ডিজাইনের থান কাপড়, ওড়না ও বোরকা আছে। গভীর রাত পর্যন্ত বেচাকেনা হচ্ছে। কাস্টমারের চাপে দম ফেলার সুযোগ মিলছে না।

তালহা কালেকশনের সত্বাধিকারী সুলতান আহমদ খলিল বলেন, ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের ভীড় বেড়েছে। শেষ সময়ে ভালো বিক্রি হচ্ছে। আমার দোকানে নারী-পুরুষ ও শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পোশাক রয়েছে। একেবারে কম মুনাফায় পোষাক বিক্রি করায় তার দোকানে ক্রেতারা বেশি ভিড় করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews