কুলাউড়ায় গভীর রাতে জনতার হাতে ডাকাত সন্দেহে সাদাপোশাকি পুলিশ আটক কুলাউড়ায় গভীর রাতে জনতার হাতে ডাকাত সন্দেহে সাদাপোশাকি পুলিশ আটক – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় সূচনা উপকারভোগীদের অনুশীলন সমূহ প্রদর্শণ ও মতবিনিময় বড়লেখায় শিক্ষক হত্যা ও হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন বড়লেখায় বন্যার্তদের সাথে ‘পদক্ষেপ মানবিক কেন্দ্রে’র অমানবিক আচরণ! দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে পুলিশ -ডিআইজি মফিজ উদ্দিন কমলগঞ্জে দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে ছাই মূ্ল্যবান কাগজপত্র, আহত-২ বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ড বয়কে মারধর, আটক ১ জুড়ীর বন্যার্তদের বৃহত্তর কচুরগুল সমাজ কল্যাণ তহবিলের ত্রাণ বিতরণ শ্রীমঙ্গলে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা বড়লেখায় বন্যাদুর্গতদের খাসি ইয়ুথ ক্লাবের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ আত্রাইয়ে ক্যান্সার ও হৃদরোগীকে অর্থ প্রদান

কুলাউড়ায় গভীর রাতে জনতার হাতে ডাকাত সন্দেহে সাদাপোশাকি পুলিশ আটক

  • মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২

এইবেলা, কুলাউড়া :: কুলাউড়া উপজেলার হাকালুকি হাওর তীরবর্তী বন্যাদূর্গত ভুকশিমইল ইউনিয়নে ২০ জুন সোমবার গভীর রাতে ইঞ্জিন নৌকা নিয়ে এক সাদাপোশাকি পুলিশ ও তার সোর্সকে ডাকাত সন্দেহে আটক করে এলাকাবাসী। সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে দেয় ঘটনাটি। খবর পেয়ে কুলাউড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেন। ওই পুলিশ মৌলভীবাজার জেলার গোয়েন্দা বিভাগের এএসআই আবু আহমদ সুজন।

স্থানীয় লোকজন জানান, ভয়াবহ বন্যার কবলে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ। সেই সাথে রাতে নৌকাযোগে ডাকাতির একটা গুজব রয়েছে। ২০ জুন সোমবার রাত আনুমানিক একটায় একটি অপরিচিত ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ভূকশীমইল এলাকায় প্রবেশ করার পর গ্রামের মাইকে এলাকায় ডাকাত হানা দিয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়। সাথে সাথে এলাকার মানুষ নৌকাটি আটক করে। এসময় নৌকায় অবস্থানরত একজন নিজেকে পুলিশের এএসআই আবু আহমদ সুজন বলে পরিচয় দেন। এসময় এলাকাবাসী পুলিশের পোশাক ও আইডি কার্ড না থাকায় আবু আহমদ সুজন ও তার সহযোগিকে আটক করে কুলাউড়া থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে কুলাউড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে আবু আহমদ সুজনকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে এএসআই আবু আহমদ সুজন জানান, সোমবার রাজনগর উপজেলার টেংরায় মাদক মামলার আসামী গ্রেফতারের পর সোর্স শাহীনকে তার গ্রামে বাড়িতে পৌছে দিতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে নৌকা দেখে স্থানীয় লোকজন মুক্তাজিপুর এলাকায় চিৎকার ও শোরগুল শুরু করেন। পরে আমরা নৌকাটি নিয়ে তাদের কাছে গিয়ে পরিচয় দেই। দু’একজন লোকজন ৯৯৯ ফোন করে পুলিশকে জানান। পরে আমাদের পরিচয় পেয়ে সেখান থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। এরমধ্যে কয়েকচন অতিউৎসাহী লোক ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দেয়।

কুলাউড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিনুল ইসলাম জানান, সুজন পুলিশের একজন এএসআই। কুলাউড়া থানায়ও কর্মরত ছিলেন। ১৫ দিন আগে তিনি বদলী হয়ে মৌলভীবাজার গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) বদলী হন। ঘটনার সময় তিনি তার এক সোর্স শাহীনকে ভুকশিমইল ইউনিয়নের শশারকান্দি গ্রামে বাড়িতে পৌঁছে দিতে গেলে মুক্তাজিপুর গ্রামের মানুষের কাছে আটক হন। এসময় তিনি সাদা পোশাকে ছিলেন এবং তার কাছে কোন আডি কার্ড ছিলো না।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews