রাঙামাটির ত্রিপুরা পাড়ায় সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে নিহত ৩ ও আহত ৪ রাঙামাটির ত্রিপুরা পাড়ায় সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে নিহত ৩ ও আহত ৪ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে পূজা উদযাপন পরিষদের বৃক্ষরোপন কুড়িগ্রামে শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে স্থানীয় স্টেক হোল্ডারদের সাথে সংলাপ সুজানগর ইউপি : বন্যার্তদের ২০ লাখ টাকার খাদ্যসামগ্রী দিচ্ছেন প্রবাসীরা ইউপি চেয়ারম্যান উপ-নির্বাচন-বড়লেখায় প্রতীক পেয়েই প্রচারণায় প্রার্থীরা কুলাউড়ায় বন্যা কবলিত এলাকায় শিশু খাবার পানি বিশুদ্ধকরণ টেবলেট ও খাবার স্যালাইন বিতরণ কুলাউড়ায় আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর বরাদ্দের নামে অসহায় মহিলার ভিক্ষার টাকা আত্মসাত! ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যার হুমকি দাতা কুলাউড়ার সোহাগ গ্রেফতার! ওসমানীনগরে শতাধিক শিক্ষার্থী পেল স্কুল ড্রেস বার্সেলোনায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে বাংলার মেলা আয়োজক সংঠনের মতবিনিময় কুলাউড়া পৌরসভার ৬৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

রাঙামাটির ত্রিপুরা পাড়ায় সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে নিহত ৩ ও আহত ৪

  • বুধবার, ২২ জুন, ২০২২

 রাঙামাটি প্রতিনিধি :: রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী বড়থলী ত্রিপুরাপাড়ায় সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে নিহত ৩ ও আহত হয়েছেন ৪ জন। নিহতরা হলেন, বৃষচন্দ্র ত্রিপুরা, সুভাষ ত্রিপুরা ও ধনরা ত্রিপুরা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, রাঙামাটির দূর্গম উপজেলার ভারত সীমান্ত লাগোয়া বড়থলী ত্রিপুরা পাড়া( সাইজান)য় মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৮টার সময় সন্ত্রাসীরা গ্রামটা ঘিরে ফেলে তাদের টার্গেট খুঁজে খুঁজে এলোপাতাড়ি ব্রাশফায়ার করে।

এ সময় সন্ত্রাসীর গুলিতে ৩ জন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়। সন্ত্রাসীরর এলোপাতাড়ি ব্রাশফায়ারের মধ্যে পালিয়ে বাঁচলেও এ ঘটনায় ৪ জন গ্রামবাসী গুরুতর আহত হয়। নিহতরা হলেন, বৃষচন্দ্র ত্রিপুরা, সুভাষ ত্রিপুরা ও ধনরা ত্রিপুরা। এদের মধ্যে সুভাষ এবং ধনরা সম্পর্কে বাবা-ছেলে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির ইউনিয়ন সভাপতি আতু মং মারমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ‘কুকিচীন পার্টি’ নামের একটি নতুন সশস্ত্র সংগঠনের কর্মীরা বড়থলি ইউনিয়নের সাইজান নতুন পাড়ায় এলোপাতাড়ি ব্রাশফায়ার করলে ঘটনাস্থলেই ৩ জন গ্রামবাসী নিহত হয়। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তবে ঘটনার ২২ ঘণ্টা পরও বুধবার (২২ জুন) বিকেল ৪টা পর্যন্ত কেউ ঘটনাস্থলে যাননি।’ ঠিক কী কারণে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেননি তিনি।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি মেম্বার ওয়েইবার ত্রিপুরাও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হত্যাকান্ডের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেনি পআইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান বলেন, বড়থলির ইউপি চেয়ারম্যান আমাকে বিষয়টি জানানোর পর আমি বিলাইছড়ি থানাকে জানিয়েছি। এলাকাটি এতই দুর্গম যে সেখানে বিলাইছড়ি থেকে তিনদিন এবং পার্শ্ববর্তী জেলা বান্দরবানের রুমা উপজেলা থেকে যেতে চাইলে দুদিন সময় লাগে। পুরো বিষয়টি রুমা জোনকে জানানো হয়েছে। তারা বিষয়টি দেখছেন।

এ বিষয়ে রাঙামাটি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মাহমুদা বেগম বলেন, বিষয়টি আমরাও শুনেছি। তবে দুর্গম এলাকা হওয়ায় সেখানে পৌঁঁছানো কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ। তাই আমরা এখনো নিশ্চিত কিছু বলতে পারছি না।

এদিকে ৭জন গ্রামবাসী হতাহতের বিষয়র ‘কুকিচীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট-কেএনএফ’ নামের সংগঠনটি তাদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews