কুলাউড়ায় সম্বল হারানো হতদরিদ্র সুলেহার কান্না থামছে না কুলাউড়ায় সম্বল হারানো হতদরিদ্র সুলেহার কান্না থামছে না – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখা জামেয়া দাখিল মাদ্রাসার নির্মাণাধীন ভবনের নিচ ভরাটে বালুর পরিবর্তে মাটি মৌলভীবাজার পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কাউকে বাদ দিয়ে নয় জোটের বিভাগীয় সমন্বয় কমিটি গঠন বড়লেখায় নবীন এগ্রো ফুডের ব্রাঞ্চ অফিস উদ্বোধন ও বর্ষপূর্তিতে দোয়া ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার আহবান কমরেড মেননের আত্রাইয়ে শেখ রাসেল কম্পিউটার ল্যাবের ১৩টি ল্যাপটপ চুরি কমলগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে বিদ্যা দেবীর আরাধনা নিয়োগ বাণিজ্য কমলগঞ্জে শিক্ষক নিয়োগের ফলাফর ৩ মাসেও প্রকাশ হয়নি কুলাউড়া প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের কম্বল বিতরণ করেন প্রটোকল অফিসার রাজু ভাতিজির বাল্য বিবাহে বাঁধা দেওয়ায় কাল হলো চাচার পরিবারের 

কুলাউড়ায় সম্বল হারানো হতদরিদ্র সুলেহার কান্না থামছে না

  • রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২২

এইবেলা, কুলাউড়া :: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ঘরবাড়ি, কিছু হাঁস ছিলো বানের জলে তারাও হারিয়ে গেছে। বন্যার পর ঋণ নিয়ে কিনেছিলাম গরু। এটাই ছিলো আমার একমাত্র সম্বল। সেই সম্বল ৪টি গরু চুরে নিয়েছে। এখন আমার আর কিছুই রইলো না। আমি নি:স্ব হয়ে গেলাম। এখন আমার কী হবে, কী করবো?’

নিজ বাড়িতে গত ৪দিন থেকে এভাবেই বিলাপ করছিলেন হাকালুকি হাওড় পাড়ের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী সুলেহা আক্তার। তিনি কুলাউড়া উপজেলার মদনগৌরি গ্রামের কৃষক ইউনুস মিয়ার স্ত্রী।

সহায়-সম্বল হারিয়ে কুলাউড়া থানার সামনে পাগলপ্রায় হয়ে ছুটোছুটি করছিলেন তিনি। এমনভাবে বিলাপ করছিলেন যেন বিলাপ থামছেই না। যেন তার নিকটত্মীয় কেউ মারা গেছে।

সুলেহা বলেন, আমার পালিত ৪টি গরু প্রতিদিনের ন্যায় গত ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যা অনুমান ৬টার দিকে সময় আমার বসত ঘরের উত্তর পাশে গোয়াল ঘরে বেঁধে রাখি এবং রাতের খাওয়া দাওয়া শেষ করে রাত সাড়ে ১১টায় আমিসহ পরিবারের লোকজন বসত ঘরে ঘুমিয়ে পড়ি। ভোর ৫টায় সময় আমি ঘুম থেকে উঠে গোয়াল ঘরে দেখি গোয়াল ঘরে থাকা আমার একমাত্র সম্বল ৪টি গরু নেই, কে বা কারা চুরি করে নিয়ে গেছে। সাথে সাথে আমি শোর চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে দেখে আমার গোয়াল ঘর থেকে গরু চুরি হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে।

সুলেহা আক্তার বলেন, কষ্টের পালন করা গরুগুলো হারিয়ে আমি নি:স্ব হয়ে গেছি। এখন সারা বছর সংসার কিভাবে চালাবো? এই গরুগুলো থেকে যেন দু’টাকা পাই সেজন্য দিনরাত পরিশ্রম করেছি। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। এখন শুধু ভাঙ্গা ঘরটি বাকি রইলো।

তিনি জানান, ৫০ হাজার টাকা ঋণ করে গরু কিনে পালন করেছিলাম। গরুগুলো খুব ভালো মোটাতাজা ছিল। মনে করেছিলাম এই মাসে বিক্রি করে কিছু টাকা পাবো। তা দিয়ে সংসার চালাবো ও সাথে ঋণ দিবো। এখন আমি ঋণ দেবো কিভাবে আর সংসার চালাবো কী করে?

কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছালেক জানান, ঘটনার পরদিন ৩০ নভেম্বর ভিকটিম একটি অভিযোগ দিয়েছেন। গরুগুলো উদ্ধারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews