কুড়িগ্রামে দু’দিন থেকে দেখা নেই সৃর্যের  তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস  কুড়িগ্রামে দু’দিন থেকে দেখা নেই সৃর্যের  তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস  – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সানি খানের নিপূণ হাতে চিত্রগ্রহণ হচ্ছে ব্যাড গার্লস সিরিজ ‘আমি কষ্টকর ও অগোছালো জীবন চাইনা – প্রভা উপজেলা নির্বাচন, কমলগঞ্জে ভোট গ্রহণ কাল, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নির্বাচনের প্রস্তুুতি নদী ভাঙ্গনে বন্যা কবলিত কমলগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা, ১০টি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ দুদকে জি-সিরিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ শিরোনামহীন ব্যান্ডের ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকীত দিল স্পেন ও নরওয়ে ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ী ঢলে প্লাবিত কুলাউড়ার বিভিন্ন এলাকা ব্যাড বয় হয়ে পর্দায় আসছেন সীমান্ত রেমালের তান্ডব : ১০ জনের মৃতু, ৩৫ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, বিদ্যুৎহীন ২ কোটি ৩৫ লাখ গ্রাহক সাধারণ সম্পাদকের দায়ীত্ব ফিরে পেলেন ডিপজল

কুড়িগ্রামে দু’দিন থেকে দেখা নেই সৃর্যের  তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস 

  • বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৪

মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :: কুড়িগ্রামে আজ ঘন কুয়াশার দাপট কম থাকলেও কনকনে ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়েছে মানুষজন। দুইদিন থেকে সৃর্যের দেখা না মেলায় ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে এ অঞ্চলে।

বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। দিনের তাপমাত্রা কমে রাতের তাপমাত্রার কাছাকাছি হওয়ায় দুপুর পর্যন্ত ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে দিন মজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষজন কাজে বের হলেও প্রয়োজনীয় গরম কাপড়ের অভাবে কষ্টে রয়েছে তারা।

বিশেষ করে উত্তরীয় হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কাহিল হয়েছে পড়েছে নদ-নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের মানুষগুলো। শীত ও কনকনে ঠান্ডা কাজে যেতে না পারায় কষ্টে পড়েছে শ্রমজীবিরা। অপর দিকে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের পোড়ার চরের জহুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের চরে কয়েকদিন থেকে খুব ঠান্ডা। ঘর থেকে বাহির হওয়া যাচ্ছে না। কারণ নদীর পাড়ে সমসময় বাতাস থাকে। বাতাসের কারণে ঠান্ডা বেশি।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল গফুর বলেন, আমার ইউনিয়নটি নদী বেষ্টিত। এখানে অনেক বেশি ঠান্ডা অনুভূত হয়। নির্বাচনের আগে সরকারি ভাবে মাদরাসার বাচ্চাদের জন্য ৪শ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল মাত্র ৮০টি কম্বল বিভিন্ন এলাকায় বিতরণ করা হয়। এ অবস্থায় সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এগিয়ে আসলে আমার এখানকার চরের মানুষ উপকৃত হতো।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, তাপমাত্রা আরও দুই একদিন এমন থাকবে। পরে একটু উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়াও এ মাসে আরও একটি শৈত্যপ্রবাহ এ জেলার উপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মুশফিকুল আলম হালিম জানান, সদর উপজেলায় শীত নিবারনে ৪ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এই মুহূর্তে শীতবস্ত্র মজুদ নেই। বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। পেলে বিতরণ করা হবে। #

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews