কুলাউড়ায় চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে সম্পত্তি জবরদখল ও নির্যাতনের অভিযোগ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় দুই হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বীজ ও সার বিতরণ বড়লেখায় ঋণগ্রস্থের হতাশায় বিষপানে যুবকের মৃত্যু জুড়ীতে সিটি ব্যাংক শাখার উদ্বোধন কুলাউড়ায় প্রবাসীর জমি জবর দখলের চেষ্টা : আতঙ্কে প্রবাসী পরিবার সি‌লেট সুনামগঞ্জ ও‌ গো‌বিন্দগঞ্জ ছাতক সড়ক-ময়লার ভাগাড়ে জলাবদ্ধতা : দুর্ভোগ কমলগঞ্জে পাহাড়ি ছড়ায় পাওয়া গেল চা শ্রমিক যুবকের লাশ বড়লেখায় কমিউনিটি সেন্টারে চুরি : মালামাল উদ্ধার চোর গ্রেফতার বিশ্ব বাবা দিবস: সকল বাবাদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা! বড়লেখা হাজীগঞ্জ বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম পারুলের দেশ সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছে কুলাউড়ার ৫ ক্ষুদে শিক্ষার্থী

কুলাউড়ায় চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে সম্পত্তি জবরদখল ও নির্যাতনের অভিযোগ

  • শুক্রবার, ১৯ মে, ২০২৩

Manual1 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া :: কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নে চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে সম্পত্তি জবরদখল করতে অমানবিক নির্যাতন চালান বোনের উপর। নির্যাতনের কবল থেকে রক্ষা পেতে গত ১৭ মে ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ নির্যাতিতা জলিকা বেগম।

Manual1 Ad Code

অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে এবং কুলাউড়া থানা পুলিশের একজন এসআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। নির্যাতিতা ওই মহিলা বর্তমানে পঞ্চায়েতের এক মুরব্বির বাড়িতে আশ্রয়ে রয়েছেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, রাউৎগাঁও ইউনিয়নের কবিরাজী গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত প্রাইমারি শিক্ষক আব্দুল খালিকের চাচাতো বোন হন জলিকা বেগম (৫৫)। জলিকা বেগমের কোন ভাই বোন নেই। স্বামীর সাথে বিচ্ছেদ হওয়ায় তিনি বাপের বাড়িতে থাকেন। ১৯ বছর বয়সী একমাত্র ছেলে বেশ আগেই মারা গেছে। পৈত্তিক সূত্রে জলিকা বেগমের প্রায় সাড়ে চার একর স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। একই বাড়িতে চাচাতো ভাইয়েরও অবস্থান। কিন্তুু চাচাতো ভাই আব্দুল খালিক ও তার স্ত্রী সাহিনারা বেগম প্রায়ই শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। কিছুদিন পূর্বে এলাকায় প্রকাশ পায় জলিকা বেগমের কোন সম্পদ নাই। গত ১১ মে জলিকা বেগমের ওপর নির্যাতন চালায় চাচাতো ভাই ও তার স্ত্রী।

Manual7 Ad Code

জলিকা বেগমের অভিযোগ তাকে ওইদিন মারধর করার পর একটি ছড়ার পাড়ে নিয়ে রেখে আসেন নির্যাতনকারীরা। বিষয়টি তিনি স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের মুরব্বিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করেন। এ নিয়ে এলাকাবাসী কয়েকদফা সালিশ বৈঠক করলেও কোন সুরাহা হয়নি। অবশেষে নির্যাতিতা জলিকা বেগম স্বশরীরে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান খোন্দকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এব্যাপারে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সৌমিত্র কর্মকার জানান, ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করবো।

Manual4 Ad Code

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান খোন্দকার জানান, নির্যাতিতা মহিলার আবেদনের প্রেক্ষিতে দ্রুত তদন্তক্রমে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করলে ১৮ মে বৃহস্পতিবার তিনি সরেজমিন বিষয়টি তদন্ত করেছেন বলে জানা গেছে।#

Manual4 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!