রাজস্ব তহবিলের অর্থ আত্মসাত- বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক বরখাস্ত, বিভাগীয় মামলা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে কুড়িগ্রামে ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : জেলায় পাসের হার ৪০.৭২%  ওসমানীনগরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ সিলেট চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় : যাত্রীদের হয়রানী দেশের কৃষি ও কৃষকরা উন্নত হলে দেশ-জাতির উন্নতি সাধন সম্ভব –কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি ছাত‌কে ৮শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ‘মুল্লা’ ছালেককে কারাগা‌রে বিদেশমুখীতা ও অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবে এ অঞ্চলে শিক্ষারহার নিম্নগামী- তাহসিনা রুশদী লুনা কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ নিয়ে অপ্রচার : তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এলাকাবাসী

রাজস্ব তহবিলের অর্থ আত্মসাত- বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক বরখাস্ত, বিভাগীয় মামলা

  • রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

Manual7 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

বড়লেখা উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর অনুপ চন্দ্র দাশকে বরখাস্ত ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবারের একটি জাতীয় দৈনিকে ‘ইউএনও’র নেতৃত্বে সিন্ডিকেট- রাজনগরে ভুয়া বিল ভাউচার, জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করে দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ’ শিরোনামে একটি সংবাদ ছাপা হয়।

Manual4 Ad Code

গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) অনুপ চন্দ্র দাশকে বরখাস্ত ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছেন বড়লেখা উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও ইউএনও গালিব চৌধুরী। বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে সে অনুমোদনহীন অনুপস্থিত রয়েছে।

Manual7 Ad Code

তবে, সরকারি তহবিলের অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি নজরেই আসতেই উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও ইউএনও গালিব চৌধুরী তার কাছ থেকে আত্মসাতের ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করে সংশ্লিষ্ট তহবিলে জমা দিয়েছেন। এরপর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তাকে বরখাস্ত ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেন তিনি।

Manual7 Ad Code

জানা গেছে, রাজনগর উপজেলা পরিষদ থেকে বদলি হয়ে ৬ আগষ্ট বড়লেখা উপজেলা পরিষদে যোগদান করে সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর অনুপ চন্দ্র দাশ। যোগদানের তিন মাসের মধ্যেই ১১টি চেকে সোনালী ব্যাংক বড়লেখা শাখা থেকে উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলের ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে। এর আগে রাজনগর উপজেলা পরিষদে কর্মকালিন রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা হাবিব শাপলা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদশা মিয়ার নেতৃত্বে অনুপ চন্দ্র দাশ চেক জালিয়াতির মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের সাধারণ তহবিলের ৮০ লাখ ৫১ হাজার ৪’শ ৫৫, রাজস্ব তহবিলের ৪০ লাখ এবং উন্নয়ন তহবিলের ৩১ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে।

Manual1 Ad Code

বড়লেখা ইউএনও ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক গালিব চৌধুরী জানান, চেক জালিয়াতির মাধ্যমে পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর অনুপ চন্দ্র দাশ কর্তৃক বড়লেখা উপজেলা পরিষদের তহবিলের ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের বিষয়টি নজরে আসতেই সুকৌশলে তিনি সমুদয় টাকা উদ্ধার করেন। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে রোববার তাকে বরখাস্ত ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews