এইবেলা, ফ্রান্স প্রতিনিধি ::
লন্ডন প্রবাসী কুলাউড়া কলেজের সাবেক জিএস জিল্লুর রহমান রওশনের বিরুদ্ধে আব্দুল মতিন নামক এক ফ্রান্স প্রবাসী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন। ১২ লাখ টাকা কন্টাক্টে আব্দুল মতিনের মেয়ের জামাইকে লন্ডন নেয়ার কথা বলে অগ্রিম ৭ লাখ টাকা নেন। লন্ডন নেয়াতো দূরের কথা, অগ্রিম হিসেবে নেয়া ৮ লাখ টাকাও ফেরৎ দিচ্ছেন না।
অভিযোগকারী আব্দুল মতিন ফ্রান্স প্রবাসী হলেও তার গ্রামের বাড়ী মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার পানিশাইল নিজামপুর গ্রামে। এইবেলার কাছে করা ফ্রান্স প্রবাসীর সেই অভিযোগ আমরা হুবহু তুলে ধরছি-
লন্ডন প্রবাসী প্রতারক, দালাল জিএস রওশন এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : অভিযুক্ত ব্যক্তি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া পৌরসভার ০৭ নং ওয়ার্ড আলালপুর নিবাসী মৃত হানিফ মিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র। কুলাউড়া ডিগি্র কলেজের সাবেক জিএস লন্ডন প্রবাসী জিল্লুর রহমান রওশন ওরফে জিএস রওশন । দীর্ঘদিন যাবৎ সে লন্ডনে বসবাস করে আসছে। সে অতি দুর্ত, চালাক, প্রতারক ও দালাল প্রকৃতির লোক। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কৌশলে দেশে ও লন্ডনে বসবাসকারী অনেক বাংলাদেশী ভাই বোনদেরকে ধোকাবাজির মাধ্যমে বুঝিয়ে লন্ডনে লোক নিয়ে আসবে বলে অগ্রিম টাকা নিয়েছে। সে একজন পেশাদার দালাল ও প্রতারক। বিভিন্ন জনকে লন্ডনে নিয়ে আসার কথা বলে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিতে অনেক সময় সে তার বউকে ব্যবহার করে। এই হাতিয়ে নেয়া টাকা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের পিএস মুহাম্মদ সানির বড় ভাইয়ের সাথে লন্ডনে সে হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসা আসছে। যা দেশ বিদেশে অনেকেই জানেন। আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আব্দুল মতিন পরিবার পরিজন নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ফ্রান্সের প্যারিসে বসবাস করে আসছি। আমার দেশের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলায়। এই অভিযুক্ত ব্যক্তি জিল্লুর রহমান রওশন ওরফে জিএস রওশন বিগত প্রায় ২৬ মাস আগে আমার বড় মেয়ের স্বামীকে ২ মাসের মধ্যে লন্ডন এনে দিবে এই মর্মে আমার কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা অগ্রিম নেয়। কিন্তু অতীব দু:খের বিষয় যে, আমার কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর থেকে দীর্ঘ ২৬ মাস অতিবাহিত হলে ও আমার মেয়ের স্বামীকে লন্ডনে আনার কোন প্রসেসিং করেনি।
অথচ প্রসেসিংয়ের কথা বলে সে আমার কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়েছে। এখন সে আমার ফোনও ধরে না। কোনভাবেই আমি তার সাথে যোগােযাগ করতে পারছি না। তার সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে তার অনেক আত্মীয় স্বজন ও লন্ডনসহ দেশে ও বিদেশে কুলাউড়ার অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে যোগাযোগ করে আমি বিষয়টি তাদের অবগত করেছি। তারা সকলেই ব্যর্থ হয়েছেন এবং তাকে অতিশয় চালাক, প্রতারক ও দালাল প্রকৃতির লোক বলে আখ্যায়িত করেছেন। আমার কাছ থেকে নেয়া টাকার ব্যাংকিং প্রমানাদি রয়েছে। আমার কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া এই ৮ লাখ টাকা উদ্ধারের কোন উপায় না পেয়ে অবশেষে আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশ এবং দেশে বিদেশে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য হচ্ছি।
– ইতি আব্দুল মতিন, প্যারিস ফ্রান্স।