ডিসেম্বর ২৬, ২০১৫
Home » ব্রেকিং নিউজ » ছাতকে ৩০ কাউন্সিলর প্রার্থীর অর্ধেক স্ব-শিক্ষিত

ছাতকে ৩০ কাউন্সিলর প্রার্থীর অর্ধেক স্ব-শিক্ষিত

এইবেলা, ছাতক, ২৬ ডিসেম্বর:: সাধারন কাউন্সিলর ৩০ প্রার্থীর মধ্যে অর্ধেকই রয়েছে স্ব-শিক্ষিত। বাকী ১৫জনের মধ্যে ২জন স্নাতক ও ৮জন রয়েছে কলেজ গন্ডির ভেতরে। মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে জড়িত রয়েছেন ৫জন। এর মধ্যে কারো মামলা চলমান ও কেউ কেউ পেয়েছেন অব্যাহতি। ব্যাংক ঋন রয়েছে প্রায় ডজন খানেক প্রার্থীর।
১নং ওয়ার্ডের আখলাকুল আম্বিয়া সোহাগ স্নাতক পাশ। ১লাখ ২৫হাজার টাকা তার বার্ষিক আয়। নগদ ১লাখ, ব্যাংকে জমা ২৫হাজার টাকা রয়েছে তার। ব্যাংক ঋন রয়েছে ৩লাখ টাকা। এসএসসি পাশ নিজাম উদ্দিনের আয় ৫০হাজার। স্নাতক পাশ প্রার্থী শাহ ময়নুল হাসানের আয় ২৫হাজার টাকা। ১টি মোটরসাইকেল রয়েছে তার। এসএসসি পাশ মোহাম্মদ শাহীনের আয় ৫০হাজার টাকা। স্ব-শিক্ষিত আরজ মিয়ার আয় ৭০হাজার, প্রবাস থেকে আসে ৬০হাজার টাকা।

২নং ওয়ার্ডের প্রার্থী আফরোজ মিয়া স্ব-শিক্ষিত। তার আয় ১লাখ ৩০হাজার। এসএসসি পাশ বেলায়েতে হোসেনের আয় ৫০হাজার টাকা। এসএসসি পাশ প্রার্থী সুদীপ কুমার দের আয় ১লাখ ৫০হাজার টাকা।

৩নং ওয়ার্ডের প্রার্থী স্ব-শিক্ষিত লিয়াকত আলীর আয় ১লাখ ৮০হাজার টাকা। ৫ম শ্রেনী পাশ ফয়জুর রহমানের ব্যাংক ঋন রয়েছে ২৫লাখ টাকা। তার আয় ১লাখ ৩০হাজার টাকা। ৮ম শ্রেনী পাশ মোফাজ্জেল হোসেনের আয় ২লাখ ৭০হাজার।

৪নং ওয়ার্ডের প্রার্থী আহমদ আলী স্ব-শিক্ষত। তার রয়েছে ১টি ট্রাক্টর, ৩টি গাড়ি, ১টি মোটরসাইকেল। তার আয় ২লাখ টাকা। স্ব-শিক্ষিত আনোয়ার হোসেন তালুকদারের ১৫শতক কৃষি জমি রয়েছে। ৮ম শ্রেনী পাশ ধন মিয়ার রয়েছে নগদ ২৫হাজার টাকা, ব্যাংক জমা ৫৫হাজার টাকা। স্ব-শিক্ষিত রাশিদ আলীর নামে রয়েছে ৩টি মামলা। তার আয় ২লাখ টাকা। স্ব-শিক্ষিত রশিদ আলীর আয় ৫০হাজার টাকা।

৫নং ওয়ার্ডের স্ব-শিক্ষিত ইরাজ মিয়ার রয়েছে ২টি মামলা। এর মধ্যে একটি স্থগিত। তার আয় ৩০হাজার টাকা। ৮ম শ্রেনী পাশ আছাব মিয়ার আয় ২লাখ ৩হাজার টাকা। তা বিরুদ্ধে ২টি মামলার মধ্যে ১টি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার রয়েছে ১টি মোটর সাইকেল ও দোকান কোঠা ১টি। ব্যাংক ঋন রয়েছে তার ৬লাখ টাকা।

৬নং ওয়ার্ডের জসিম উদ্দিন সুমেন এইচএসসি পাশ। বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে তার ২টি মামলা। তার আয় ১লাখ টাকা। তার রয়েছে ১টি বানিজ্যিক মার্কেট। ব্যাংক ঋন রয়েছে তার ১০লাখ টাকা। ৫ম শ্রেনী পাশ মুকিত চৌধুরী লাভলুর আয় ২৫হাজার টাকা। ব্যাংক ঋন রয়েছে তার ১লাখ ৮০হাজার টাকা। স্ব-শিক্ষিত দেলোয়ার মাহমুদ জুয়েল বক্সের আয় ৫০হাজার টাকা। নগদ ২লাখ, মোটর সাইকেল ১টি ও দোকান কোঠা ১টি রয়েছে তার। এসএসসি পাশ ময়নুল হোসেন চৌধুরীর আয় ২লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংক ঋন রয়েছে ১লাখ ৬০হাজার টাকা।

৭নং ওয়ার্ডের এসএসসি পাশ তাপস চৌধুরীর বিরুদ্ধে ২টি মামলা ছিল-যা প্রাত্যাহার করা হয়েছে। তার আয় ২১লাখ ৬৫হাজার ৮শ’২০ টাকা। নগদ ৮২হাজার ৯শ’৬৭টাকা, ব্যাংকে আছে ৩৩লাখ রয়েছে তার। ব্যাংক ঋন রয়েছে তার ১৯লাখ টাকা। এইচএসসি পাশ লায়েক মিয়ার আয় ৩০হাজার।

৮নং ওয়ার্ডের স্ব-শিক্ষিত মাসুক মিয়ার আয় ৩৫হাজার টাকা। স্ব-শিক্ষিত নওশাদ মিয়ার আয় ৪৫হাজার টাকা। তার রয়েছে মোটর সাইকেল ১টি। স্ব-শিক্ষিত জাকির হোসেনের আয় ৪০হাজার টাকা। স্ব-শিক্ষিত শফিকুল ইসলামের আয় ৪০হাজার টাকা।

৯নং ওয়ার্ডের প্রার্থী দিলোয়ার হোসেনও স্ব-শিক্ষিত। তার আয় ৩০হাজার টাকা। ব্যাংক ঋন রয়েছে তার ২০লাখ টাকা। স্ব-শিক্ষিত শরীফ আলমের আয় ১লাখ ২০হাজার টাকা। তার রয়েছে ১টি করে মাইক্রো ও মোটর সাইকেল। এ ছাড়া ২টি মার্কেট ও ২টি বাড়ির ১১ভাগের ২অংশের মালিক তিনি। তার ব্যাংক ঋন রয়েছে ২কোটি ৭০লাখ টাকা। প্রার্থীদের দেয়া নির্বাচনী হলফনামা থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

রিপোর্ট-নুর উদ্দিন