- জাতীয়, ব্রেকিং নিউজ, মৌলভীবাজার, স্থানীয়, স্লাইডার

কুলাউড়া ও জুড়ীর সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কাঠ পুড়ছে ইট ভাটায়

এইবেলা, কুলাউড়া, ২৮ ফেব্রুয়ারি :: মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া ও জুড়ী উপজেলায় বিভিন্ন ব্রিকফিল্ডে বনাঞ্চলের অবৈধ কাঠ পুড়ানো হচ্ছে। রাতের আধারে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কাঠ ট্রাক ও ট্রলিযোগে এনে জমা করা ব্রিকফিল্ডে। দিনের বেলায় সেগুলো পুড়ানো হয় ইটভাটায়। ব্রিকফিল্ডে কাঠ পুড়ানো বন্ধে প্রশাসন কোন উদ্যোগ নেয়নি।

সরেজমিন কুলাউড়া ও জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ব্রিকফিল্ড ঘুরে দেখা গেছে, ব্রিকফিল্ডের পুরানো চুলোয় সংক্ষিত বনের কাঠ এনে স্তুপ করে রাখা হয়েছে। দিনের আলোয় সেগুলো জ্বালানো হয়। কিন্তু সংগ্রহের সময় সেটি কারো নজরে পড়ে না। কুলাউড়া উপজেলার ঢুলিপাড়া এবং জুড়ী উপজেলার ভুয়াই এলাকায় গড়ে উঠা ব্রিকফিল্ডে এসব কাঠ পুড়ানো হয়। মুলত প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় এসব ব্রিকফিল্ড মালিকরা অনেকটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
৫৪৫ দশমিক ৪৭ বর্গকিলোমিটারের কুলাউড়া উপজেলায় রয়েছে ১৫ টি ব্রিকফিল্ড। এরমধ্যে ৫টি ব্রিকফিল্ডের কোন বৈধতা নেই। এরা পরিবেশ অধিদফতরের নিয়ম কানুন মেনে পরিচালিত হচ্ছে না। তাছাড়া কৃষি জমিতে গড়ে উঠেছে কিছু ব্রিকফিল্ড।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্রিকফিল্ড মালিক জানান, যেসব ব্রিকফিল্ডে কাঠ পুড়ানো হয়, সেগুলো অবৈধ ব্রিকফিল্ড। পরিবেশ অধিদফতরে নিয়ম মেনে মানে ঝিকঝাক ব্রিকফিল্ড চলালে সেগুলোয় কাঠ পুড়ানোর কোন সুযোগ নেই। কেননা সেগুলো কয়লা আর বাতাসের সাহায্যে চলে। সুতরাং প্রশাসন এইসব ব্রিকফিল্ডে অভিযান চালালে এক ঢিলে দুই পাখি মরবে। এসব অবৈধ ব্রিকফিল্ডের কারণে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। মুলত প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় নীতিমালা লঙ্ঘন করেও ব্রিকফিল্ড চালাচ্ছেন মালিকরা।

জানা যায়, প্রশাসন বিভিন্ন দিবস উদযাপনের নামে ব্রিকফিল্ড মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা চাঁদা আদায় করে থাকে। ফলে ব্রিকফিল্ডের প্রতি প্রশাসনের একটা উদাসীন মনোভাব রয়েছে।#

About eibeleamialabula

Read All Posts By eibeleamialabula

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *