বড়লেখায় দরিদ্রের ভাতা তালিকায় ইউপি মেম্বারের স্ত্রী-কন্যা ও স্বচ্ছলরা ! বড়লেখায় দরিদ্রের ভাতা তালিকায় ইউপি মেম্বারের স্ত্রী-কন্যা ও স্বচ্ছলরা ! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রবিরবাজারে আজ যাত্রা শুরু করবে ‌‘কিউর ফার্মেসী’ ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশকালে ভারতীয় বিএসএ‌ফের হা‌তে যুবক আটক মৌলভীবাজারে শিল্পোদ্যোক্তা উন্নয়ন শীর্ষক বিসিকের ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু আত্রাইয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের শিশুদের জন্য নির্মিত হলো দৃষ্টিনন্দন শিশুপার্ক কুলাউড়ায় সপ্তাহব্যাপী পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন কমলগঞ্জে মসজিদের কমিটি নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-৩ কমলগঞ্জে ব্যবসায়ী নেতার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ বড়লেখায় পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে ইমামদের প্রশিক্ষণ কুলাউড়ায় এক ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন : মামলার বাদীসহ স্বাক্ষীদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল  বড়লেখা চৌকি আদালত লিগ্যাল এইড বিশেষ কমিটির মাসিক সভা

বড়লেখায় দরিদ্রের ভাতা তালিকায় ইউপি মেম্বারের স্ত্রী-কন্যা ও স্বচ্ছলরা !

  • রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২০
  • ২১১ বার পড়া হয়েছে

এইবেলা, বড়লেখা ::

বড়লেখায় হতদরিদ্র মায়েদের জন্য সরকারের চালু করা মাতৃত্বকাল ভাতার তালিকায় বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানগন উপকারভোগী বাছাইয়ে সরকারী নীতিমালা অগ্রাহ্য করে ইউপি মেম্বারের স্ত্রী, কন্যা ও সচ্ছলদের অর্ন্তভুক্ত করেছেন। জনপ্রতিনিধিদের স্বজনপ্রীতির কারণে প্রকৃত হত দরিদ্র মহিলারা ভাতা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

 

উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভা এলাকায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরের জন্য নতুন সর্বমোট ১১২০ জন হতদরিদ্র মাকে ২ বছর মেয়াদে প্রতিমাসে ৮০০ টাকা করে মাতৃত্বকাল ভাতার জন্য নির্বাচন করা হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ২০১১ সালে সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী কেবল বসতবাড়ি রয়েছে, অন্যের জায়গায় বসবাসকারী, নিজের বা পরিবারের কৃষি জমি বা মৎস্য চাষের পুকুর নেই এমন অধিকতর দরিদ্র গর্ভবতী নারীকে উপকারভোগী নির্বাচনের নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু অনেক ইউপি চেয়ারম্যান এ নীতিমালার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের পরিষদের মেম্বারের স্ত্রী, কন্যা, পছন্দের প্রবাসীর স্ত্রী ও স্বচ্ছলদের মাতৃত্বকাল ভাতায় অর্ন্তভুক্ত করেছেন। এতে প্রকৃত হতদরিদ্র নারীরা সরকারী ভাতা প্রাপ্তি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তালিমপুর ইউনিয়নের ৮২ জন নতুন নারীকে মাতৃত্বকাল ভাতায় অর্ন্তভুক্ত করেন ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস। এদের অনেকেই গত ৩০ জুলাই সোনালী ব্যাংক থেকে ১ বছরের ভাতা উত্তোলন করেছেন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ড মেম্বার আতিকুর রহমান সোয়াগের স্ত্রী তামান্না বেগম, ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার ডলি বেগমের মেয়ে বাবলি আক্তার, তালিমপুর গ্রামের উচ্চবিত্ত ফয়ছল আহমদের স্ত্রী জোহরা বেগম, গোপালপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী নাছিমা বেগমসহ অনেক সচ্ছল পরিবারের নারীরা দরিদ্রদের জন্য চালু করা মাতৃত্বকাল ভাতা পেয়েছেন। মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদানে চরম অনিয়ম শুধু তালিমপুর ইউনিয়নেই নয়, অন্যান্য ইউনিয়নেও একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

 

তালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস জানান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার চিঠি পেয়ে ভাতাভোগী গর্ভবতী মহিলাদের নাম দেয়ার জন্য তিনি ইউপি মেম্বারদের অনুরোধ করেন। নীতিমালা অনুযায়ী উপকারভোগী খোঁজে না পাওয়ায় তারা হয়ত পরিচিত ১/২ জনের নাম দিয়েছেন। ভবিষ্যতে তিনি নীতিমালা অনুযায়ীই উপকারভোগী সিলেকশন করবেন।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামছুন্নাহার জানান, নীতিমালা অনুযায়ী উপকারভোগী নির্বাচন করে তালিকা প্রদানের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের চিঠি দেয়া হয়। তাদের পাঠানো তালিকা অধিদপ্তরে পাঠিয়ে দেন। সেখান থেকেই চুড়ান্ত উপকারভোগী নির্বাচন করে ভাতার টাকা তাদের স্ব ব্যাংক হিসাবে জমা দেয়া হয়। উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে জনবল সংকট থাকায় প্রত্যেক ইউনিয়নের তালিকা যাচাই বাছাই সম্ভব হয় না। চেয়াম্যানগণ তালিকা প্রনয়নে কোন অনিয়ম করলে এর দায় তাদেরকেই নিতে হবে। তবে অভিযোগ পেলে তিনিও তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews