কুড়িগ্রামে রাস্তায় গাছে গাছে ‘আল্লাহ’র গুণবাচক জিকির কুড়িগ্রামে রাস্তায় গাছে গাছে ‘আল্লাহ’র গুণবাচক জিকির – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় ঢলের পানিতে ডুবে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু স্পেনে যুবলীগ কাতালোনিয়া শাখার উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা মৌলভীবাজারে বন্যার পানিতে ডুবে ২ জনের মৃত্যু কুলাউড়ায় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শণ করলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক বড়লেখায় জেলা প্রশাসকের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সিলেটে ৮ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত কুলাউড়ায় লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দি, বাড়ছে পানি, বাড়ছে দুর্ভোগ! দুর্যোগ মোকাবেলায় বিশ্বে বাংলাদেশ রোলমডেল : দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী হাকালুকি হাওরপারে বন্যার অবণতি-বড়লেখায় ২৫২ গ্রাম প্লাবিত, আশ্রয় কেন্দ্রে ২২০ পরিবার, লাখো মানুষ পানিবন্দি মৌলভীবাজারে বন্যা কবলিত ৪৩২ গ্রাম, পানিবন্দি প্রায় ২ লাখ মানুষ

কুড়িগ্রামে রাস্তায় গাছে গাছে ‘আল্লাহ’র গুণবাচক জিকির

  • বুধবার, ২ জুন, ২০২১

মো: বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সদর প্রতিনিধি ::

কুড়িগ্রামের আরকে রোড (কুড়িগ্রাম টু রংপুর সড়ক)। ব্যস্ততম এ সড়কের দুই পাশজুড়ে দাঁড়িয়ে আছে সারি সারি গাছ। সবুজের সমারোহে ভরা এই সড়কে চলার পথে একটু ব্যতিক্রম ত্রিমোহনী বাজার থেকে আরডিআরএস বাজার সড়কটি। এই সড়কের দুই পাশের গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে আল্লাহতায়ালার জিকির। প্রায় দুই কিলোমিটার পর্যন্ত অন্তত সহস্রাধিক গাছে মহান সৃষ্টিকর্তার গুণবাচক জিকির সম্বলিত কাগজ সাঁটানো রয়েছে।

সাদা কাগজে কালো কালিতে লেখা ‘আল্লাহর জিকির’ সম্বলিত ছোট ছোট পোস্টার চোখে পড়বে এই সড়কে। গাছে পেরেক ঠুকে সাঁটানো রয়েছে- বিসমিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, সুবহানাল্লাহ, আল্লাহু আকবার, আলহামদুলিল্লাহ ও ফিআমানিল্লাহসহ আল্লাহতায়ালার গুণবাচক একাধিক নাম। এছাড়া গুণবাচক নাম সম্বলিত ফেস্টুন কম্পিউটার কম্পোজ করে সাঁটানো হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টি থেকে ফেস্টুন গুলোকে বাঁচাতে করা হয়েছে লেমেনেটিং।

ত্রিমোহনী বাজার থেকে আরডিআরএস বাজার পর্যন্ত যেন গাছে গাছে চলছে আল্লাহতায়ালার মহিমাময় নামের জিকির। যা খুব সহজেই পথচারীর নজর কাড়ে।

স্থানীয়রা এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এদিকে, কে বা কারা এমন বাণী গাছে টাঙিয়েছে তা জানেন না কেউ। কিন্তু এ নামগুলোর ফেস্টুনে কোনো সংগঠনের নাম উল্লেখ নেই।

পথচারী শাহ জাহান বলেন- ‘সকাল বেলা এই রাস্তা দিয়ে হেটে বাড়ী যাই এবং বাজারে আসি। যাওয়া ও আসার সময় গাছে টাঙানো আমাদের প্রিয় নবীর বাণিগুলো পড়ি। এতে আমার ভাল লাগে ও সওয়াব পাওয়া যায়।

ড্রাইভার জাহিদ হোসেন বলেন, আমি আরবি পড়তে জানিনা। তবে বাংলায় ওই বানীগুলো পড়তে পারি। এখান থেকে পড়ে আমি অনেকগুলো মুখস্থ করে নিয়েছি।’

স্থানীয় এক ব্যবসায়ী আব্দুস ছাত্তার বলেন, ‘সড়কের দুই পাশের গাছগুলো পরিবেশ বান্ধব। সেইসঙ্গে গাছে গাছে আল্লাহর জিকির লেখা দেখা মাত্র আল্লাহকে স্মরণ হয়। প্রতিদিন সকালে সড়কের পাশে হাঁটা হয়। তাই ফেস্টুন দেখলেই জিকির করি। এখন জিকির অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews